মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) : খাদ্য শষ্যের ভান্ডার হিসাবে খ্যাত দিনাজপুরের ১২ উপজেলার মধ্যে চিরিরবন্দর অন্যতম। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মৌসুমের শুরুতেই উপজেলার কৃষকেরা দূর্যোগ মোকাবেলা করে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে বোরো চাষ করে। গত সপ্তাহে শিলা বৃষ্টিতে ফসলের কিছু ক্ষতি হলেও ধান কাটার আগ পর্যন্ত কোন প্রকার বিপর্য না হলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর চিরিরবন্দর উপজেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ১৬২ হেক্টর জমি। এতে উপসি ১৬ হাজার ৭৮৭ এবং হাইব্রিড জাতের ১ হাজার ৩৭৫ হেক্টর। বিগত সময় ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে এবার কৃষক কোমর বেঁধে নেমেছে। শেষ পর্যন্ত কৃষক হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সব জমিতে বোরো আবাদ করায় লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অর্জিত হয়েছে ১৮ হাজার ১৯৫ হেক্টর।
সরজমিনে চিরিরবন্দর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ঘুরে দেখাগেছে, এ বছর রোগবালাই তেমন নেই। উপজেলার উত্তরপলাশ বাড়ী গ্রামের কৃষক মোস্তাফিজার রহমান, নশরত পুর গ্রামের আলতাফ, বেলাল, রইজ উদ্দিনসহ অনেকে জানান, ধানের যে বর্তমান অবস্থা যদি প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হয় তাহলে বাম্পার ফলন আশা করছি।চিরিরবন্দরে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
খাদ্য শষ্যের ভান্ডার হিসাবে খ্যাত দিনাজপুরের ১২ উপজেলার মধ্যে চিরিরবন্দর অন্যতম। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মৌসুমের শুরুতেই উপজেলার কৃষকেরা দূর্যোগ মোকাবেলা করে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে বোরো চাষ করে। গত সপ্তাহে শিলা বৃষ্টিতে ফসলের কিছু ক্ষতি হলেও ধান কাটার আগ পর্যন্ত কোন প্রকার বিপর্য না হলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর চিরিরবন্দর উপজেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ১৬২ হেক্টর জমি। এতে উপসি ১৬ হাজার ৭৮৭ এবং হাইব্রিড জাতের ১ হাজার ৩৭৫ হেক্টর। বিগত সময় ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে এবার কৃষক কোমর বেঁধে নেমেছে। শেষ পর্যন্ত কৃষক হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সব জমিতে বোরো আবাদ করায় লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অর্জিত হয়েছে ১৮ হাজার ১৯৫ হেক্টর।
সরজমিনে চিরিরবন্দর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ঘুরে দেখাগেছে, এ বছর রোগবালাই তেমন নেই। উপজেলার উত্তরপলাশ বাড়ী গ্রামের কৃষক মোস্তাফিজার রহমান, নশরত পুর গ্রামের আলতাফ, বেলাল, রইজ উদ্দিনসহ অনেকে জানান, ধানের যে বর্তমান অবস্থা যদি প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হয় তাহলে বাম্পার ফলন আশা করছি।