• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন |

নীলফামারীতে তিন জেএমবি সদস্য গ্রেপ্তার

Nilphamari J.M.B Photoবিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীতে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, ছয়টি হাতবোমা, একটি চাপাতি ও চারটি চাকু উদ্ধার করা হয়।
গত ৩০ এপ্রিল তাদেরকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সোমবার বিকেলে পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিকালে জৈষ্ঠ বিচারকি হাকিম আকরাম হোসেনর আদালতে হাজির করে রিমান্ডার আবেদন করা  হলে তিনি রিমান্ডের শুনানির দিন ধার্য করে তাদের কারাগারে পাঠান।।
গ্রপ্তার হওয়া ওই তিন জেএমবি সদস্য হলেন, নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের কিত্তিনিয়াপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে আব্দুর রহমান (২৫), পলাশবাড়ি ইউনিয়নের আরাজি ইটাখোলা গ্রামের সাহেব আলীর দুই ছেলে মাসুদার রহমান ওরফে ইব্রাহীম ওরফে মাসুদ (৪২) ও মোশারফ হোসেন (৩৮)।
নীলফামারী পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন তার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেপ্তারকৃত জেমমবি সদস্য আব্দুর রহমানের বাড়িতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে নীলফামারী শহরের গাছবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। আর এ কাজে ব্যবহারের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ আব্দুর রহমানের বাড়িতে রেখেছিল। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
৩০ এপ্রিল গোপন সংবাদদের ভিত্তিতে আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে ওই দিনই জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাসুদার রহমান ওরফে ইব্রাহিম ওরফে মাসুদ ও তার ছোট ভাই মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রাথমিক ভাবে তারা নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশ হত্যার পরিকল্পনা এবং অন্য ধর্মালম্বীকে কাফের আখ্যায়িত করে তাদের হত্যা, বিচারক, পুলিশ, খাদেম, পীরসহ বিভিন্ন পেশরা মানুষবে নাস্তিক আখ্যায়িত করে তাদের হত্যা করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং দেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করাই তাদে উদ্যেশে।
এছাড়াও সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে জেমমবি কর্তৃক সংঘটিত হত্যাকান্ডের জড়িত সদস্যরা তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো এবং আব্দুর রহমানের বাড়িতে নিয়মিত বৈঠক করতো বলে জানান পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান।
পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন,‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই তিন জেমবি সদস্য এসব পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে নীলফামারী গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরির্দশক এরশাদ আলম  রোববার বাদী হয়ে নীলফামারী থানায় সন্ত্রাস বিরোধ আইন-২০০৯ এর  ৭/৮/৯/১০/১২/১৩ ও ১৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ