• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন |

দিনাজপুরে এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ মিনার হচ্ছে

Dinajpur-Eid Jamat-Picসিসি নিউজ: এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ ৫০ গম্বুজ সম্মিলিত ঈদগাহ মিনার নিমার্ন করা হচ্ছে দিনাজপুরে। গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে এই ঈদগাহ মাঠে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরে ৭ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা হবে এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত।
দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম -এর পরিকল্পনায় ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের অর্থায়ন ও তত্বাবধায়নে এই ঈদগাহ মিনারের প্রধান গম্বুজ অর্থাৎ মেহেরাবের (ইমাম যে স্থানে দাঁড়াবেন) উচ্চতা হবে ৪৭ ফিট। এর সাথে থাকবে আরো ৪৯টি গম্বুজ। ৫১৬ফিট লম্বায় ৩২টি আর্চ নির্মান করা হচ্ছে। প্রতিটি গম্বুজের মাথায় বৈদ্যুতিক সংযোগ করা হচ্ছে। পুরো মিনার সিরামিক্স দিয়ে নির্মান করা হচ্ছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঈদের নামাজ আদায়ের প্রত্তুতি চলছে। ইতিহাস ইসলাম ভাবগাম্ভীর্যে সম্মৃদ্ধ ইরাকের মসজিদের নববি, কুয়েত, ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের স্থাপনার আদলে লেবলিকা আকৃতি স্থাপন করা হবে। মিনারকে সৌন্ধর্য মন্ডীত করতে সন্ধার পর থেকেই মিনার আলোকিত হয়ে উঠবে। মাঠের দু ধারে রাস্তা ও অযুর ব্যবস্থা করা হবে। এই ঈদগাহ মাঠ নির্মানে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। ইতিমধ্যেই ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ এই মাঠে প্রায় ৭ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ পড়বে। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামিক দেশ থেকে মিনার ও ঈদগাহ মাঠ দেখার জন্য মুসল্লিরা দিনাজপুরে আসবেন। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত মুসল্লিদের আসার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে। এই ঈদগাহ মাঠ হবে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঈদগাহ মাঠের মিনার নির্মান সমন্ধে অবগত আছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। দিনাজপুর জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকিউল আলম বলেন, ইতিমধ্যেই ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। জেলা পরিষদের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। এই ঈদগাহ মিনারকে আলোকিত ও সৌন্দর্যমন্ডীত করতে সকল ধরনের প্রস্ততি নেয়া হয়েছে। এই ঈদগাহ মিনার নির্মানের উদ্যোক্তা হলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। এদিকে দিনাজপুরে এই ঈদগাহ মাঠে লাখো মুসল্লির আগমন হবে এই প্রত্তুতিতে শহরের আবাসিক হোটেল, রেটহাউজ গুলি সংস্কার ও রং করা শুরু হয়েছে। পাঞ্জাবী, টুপি, জায়নামাজ ও তসবিহ ব্যবসায়ীরা বলছেন এবার ঈদে এসব দ্রব্যের বিক্রি কয়েকগুন বেড়ে যাবে। এই ঈদগাহ মিনারকে ঘিরে দিনাজপুরে মুসল্লিদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসব শুরু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ