লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাট আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোরের সর্দার ও দূর্ধষ সন্ত্রাসী শামীম চোরকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে দুই পুলিশ কর্মকতা গুরুতর আহত হয়েছে। এদের মধ্যে আশংকাজনক এস আই বাবুলকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মে ) বিকেলে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর রেলষ্টেশন এলাকায় আসামী ধরার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, শামীম চোর দীর্ঘদিন মোটর সাইকেল চুরির সিন্ডিকেটের নের্তৃত্ব দিয়ে আসতেন। শামীম চোরের নামে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং এর আগেও শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
এদিকে শামীম চোরের সাথে তার পরিবারের অন্যান্য পুরুষ ও মহিলা সদস্যরাও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ জানতে পারে দূর্ধষ শামীমসহ অন্যান্য ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীরা শামীমের বাড়িতে অবস’ান করছে। খবর পেয়ে থানার এএসআই বাবলু এবং নুরুল হক ফোর্স নয়ে হানা দেয় শামীমের বাড়িতে।
এসময় গ্রেপ্তার এড়াতে শামীমের বাড়িতে থাকা অন্যান্য আসামীরা পুরুষ ও মহিলা সদস্যরা মিলে লাঠি সোটা ও ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে হামলা চালায় পুলিশের উপর। একপর্যায়ে শামীমের স্ত্রী ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে এএসআই বাবলুর মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস’লেই মাঠিতে পড়ে যান তিনি। এসময় অপর এএসআই নুরুল হকের বুকে ও হাতে কামরও দেয় অন্যান্য আসামীরা।
এদিকে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আহত অফিসারদের উদ্ধার করে অভিযান চালিয়ে দূর্ধষ শামীম এবং তার স্ত্রী লাইলী বেগম ও আইনুল ইসলামসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সিদ্দক জানান,‘ এএসআই বাবলুর অবস’া আশংকা জনক হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদিকে অপর এএসআই নুরুল হককে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা এসআই জাফর জানান,‘ নুরুল হকের শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করেছে হামলাকারীরা।
এবিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম বলেন,‘ পুলিশের উপর উপর হামলাকারী দুই দূর্ধষ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।