মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর): প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনাজপুর চিরিরবন্দরে রানীরবন্দরে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার। এখানে তেমন কোন বড় ধরনের হাসপাতাল না থাকলে ও এখানে গড়ে উঠেছে ১৩টি অবৈধ ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার এদের কারো কোন সরকারী অনুমোদন না থাকলেও বিভিন্ন ধরনের বড় বড় পরিক্ষা নিরিক্ষা করে আসছে । এদের নেই কোন উন্নত মানের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, নেই কোন টেকনোলজি, নেই কোন সিলিন্ডার মেশিন, নেই কোন উন্নত মানের এক্স-রে মেশিন, নেই কোন ভালো মানের ডাক্তার, কোনরকম দায়সাড়া ভাবে বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষার কথা বলে সাধারন রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের অর্থ। একদিকে লাভবান হচ্ছে মালিকেরা অপর দিকে কমিশনের লোভে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তাররা এইসব ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে রোগী পাঠিয়ে, বিভিন্ন রকমের পরিক্ষা নিরিক্ষার নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। আবার কখনো কখনো ভুল রির্পোট দিয়ে রোগীদের মানসিক ও আর্থিক চাপে ফেলিয়ে দিচ্ছে বলে অনেকে অভিযোগ জানায়। অথচ মাসের পর মাস বছরের পর বছর এ সব মালিকেরা সরকারকে কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে তুলছে এসব ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাণীরবন্দরে মেহেরবান ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মর্ডান, আঁখি, নিলয়, পলিটেক,মেডিকা, এবি ডায়াগনষ্টিক,চিরিরবন্দর ডিজিটাল, সেন্টার এন্ড ডক্টর চেম্বার, জনতা ডায়াগনিষ্টিক সরোজমিনে ঘুরে দেখা গেছে কারো কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে রানীরবন্দর সুপার ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারের লাইসেন্স মিললেও করা হয়নি নবায়ায়ন। তবে বছরের পর বছর এসব মালিকরা সরকারকে মোটা অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে।