ঢাকা : অগ্রণী ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ২৭০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। মুন গ্রুপের মালিক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ওই টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জামানতের ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ঋণের নামে টাকা লোপাট করা হয়েছে- এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক বেনজীর আহম্মদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান তার মালিকানাধীন তিনটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, মেসার্স মুন বাংলাদেশ লিমিটেড ও মেসার্স এম আর ট্রেডিংয়ের নামে ভুয়া জামানত রেখে ২৭০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। যদিও কাগজপত্রে তিনি ৮১০ কোটি টাকার জামানত দেখিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃতপক্ষে যে নথিপত্র জামানত হিসেবে রেখেছেন তা সবই জাল।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেসের অনুকূলে ৪৯ কোটি টাকা, মেসার্স মুন বাংলাদেশ লিমিটেডের অনুকূলে ১৪১ কোটি টাকা ও মেসার্স এম আর ট্রেডিংয়ের অনুকূলে ৮০ কোটি টাকাসহ মোট ২৭০ কোটি টাকা মতিঝিল শাখা থেকে ঋণ হিসেবে ছাড় দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই তিনটি ভুয়া কোম্পানি। এর বিপরীতে ৮১০ কোটি টাকার ভুয়া জামানত দেখানো হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন অনুসন্ধান কাজ তদরককারী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন।