• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন |

খানসামায় যত্রতত্র বর্জ্য ফেলায় জনগনের দূর্ভোগ

20160628_153343মোহাম্মদ সাকিব চৌধুরী, খানসামা (দিনাজপুর): দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার প্রানস্থল গ্রামীন শহর পাকেরহাটে রাস্তার দুপাশে ময়লা আর্বজনা ফেলে বিনষ্ট করা হচ্ছে পরিবেশ।
পাকেরহাট টাওয়ার মার্কেট দিয়ে বাইপাশ সড়ক ও শাহ্ ফিলিং স্টেশন যাওয়ার পথে ফেলে রাখা ময়লা আবর্জনার দূর্গন্ধে এলাকাবাসী স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিষ্ময় হয়ে উঠেছে। মাঝে মাঝে নোংরা আবর্জনা পোড়ার কারনে আশেপাশের বসবাসকারী মানুষ এবং এই রাস্তাায় চলাচল কারী যাত্রীরা দূষিত পরিবেশের মুখোমুখি হচ্ছেন। এই রাস্তায় চলাচলকারী দিন মজুর রশিদ আলী বলেন, আমরা এলাকাবাসী এই রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার পথে একাধারে ধোয়ার পাশাপাশি দূর্গন্ধের মুখোমুখি হয়ে সমস্যায় পড়ি। তাই এর একটা সুব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমাদের আবদার রইলো ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে।
নবনির্বাচিত খামারপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন দোকানদার মোঃ আমজাদ বলেন, এই রাস্তাটি দিয়ে খামারপাড়া ও ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি  গ্রামের মানুষজন এই রাস্তায় চলাচল করে, পাশাপাশি নিউ পাকেরহাট ও দুহশুহ হাই স্কুলের  ছাত্রছাত্রীদেরকে যাতায়াত করতে হয় এই পথ ধরে। ফলে প্রতিনিয়ত ময়লা আর্বজনার মুখোমুখি হওয়ায় তাদের বিরাট সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন যখন বাতাস আসে তখন চারদিকে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পরে আমাদের বিরাট সমস্যা হয়।
এলাবাসীর দাবী যদি এই রাস্তার পাশ থেকে কিছুটা দূরে ময়লা আবর্জনা রাখা হতো তাহলেও কিছুটা রক্ষা পাওয়া যেতো। কিন্তু এই ব্যস্ততম রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় জনসাধারন ও ছাত্রছাত্রীদের আসা যাওয়ার পথে এভাবে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখা সত্যিই আহম্মক বুর্বকের কাজ ছাড়া আর কিছুনা। জনগনের দাবী আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ও হাট ইজারাদার  যেন বর্নিত স্থান থেকে অন্যত্রে সরিয়ে দূরে ময়লা আবর্জনা ফেলে। না হয় জনদূর্ভোগ বাড়ানোর জন্য কর্তৃপক্ষকেই এর দায় দায়িত্ব নিতে হবে।
পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ’আসুন দেশটাকে পরিষ্কার করি’ এর খানসামা উপজেলার শাখার আহব্বাহক নূর নবী ইসলাম জানান, এই স্থানটিতে পুরো বাজারের বর্জ্য এনে এখানে ফেলার কারনে এই বর্জ্য থেকে দূর্গন্ধ হয়। এই সড়কের বিকল্প সড়ক না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করছে।
এ ব্যাপারে আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পুনরায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা আহম্মেদ শাহ বলেন, অতি শিগ্রই এই সমস্যা সমাধানে আমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিব ।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান শাহের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বাজার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রতি বছর ইজারাদারকে ৫% টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় তাই এই সমস্যাটি ইজারাদারকে সাথে নিয়েই সমাধান করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ