• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন |

কুড়িগ্রামে ভাঙনে শত শত পরিবার গৃহহীন

29.06মমিনুল ইসলাম বাবু, (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর ভাঙনে চার শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। বুধবার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে সদর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের গুজিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে চর দাগারকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ছোট বড় ১৬টি নদ-নদীর পানি। সদর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম আবুল হোসেন জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং হ্রাসের সঙ্গে চলছে নদী ভাঙন। গত এক সপ্তাহে হাতিয়া ইউনিয়নে গৃহহীন হয়েছে আড়াই শতাধিক পরিবার। “ভাঙনে চরগুজিমারী গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। এ গ্রামের ১৫৫টি পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে।” চর দাগারকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাঙনের মুখে রয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া বাবুর চরে ৩৫ পরিবার, নয়াদারায় ২০, চর গুজিমারীতে ৪৫টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে বলে জানান এই ইউপি চেয়ারম্যান। গুজিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি  ব্রহ্মপুত্রে বিলীন হয়ে গেছে।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসান আব্দুর রহিম মোল্লা খোকা সিসি নিউজকে বলেন, আল আমিন বাজারে ৩০ পরিবার, খুদিরকুটি গ্রামের ২৫ পরিবার, আক্কেল মামুদ গ্রামের ১১ পরিবার এবং কবিরাজপাড়া গ্রামের ২০ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। পাঁচগাছি ইউনিয়নের চেীধুরী পাড়া, কদমতলা ও নওয়াবশ গ্রামের ২৭ পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে গৃহহীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান আমীর হোসেন। যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, গত সাত দিনে ৭২ পরিবার গৃহহীন হয়েছে। চরযাত্রপুরে ১০ পরিবার, ফারাজিপাড়ায় ১৫ পরিবার, দক্ষিণ গাড়ুহারায় ১০ পরিবার, চর ঘনেশ্যামপুরে ১১ পরিবার, বলদিপাড়ায় ৮টি পরিবার, ভগবতিপুরে ৭টি পরিবার ও চর পার্বতীপুরে ১২টি পরিবার নিঃস্ব হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ