ঢাকা: দেশে প্রযুক্তি বাণিজ্য উদ্যোক্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আনীত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিল ২০১৬’ রোববার সংসদে পাস হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের উপর আনীত বাছাই কমিটিতে প্রেরণ, জনমত যাচাই ও ২৮টি সংশোধনী প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
সরকারি এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ঢাকার অদূরে গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত হবে। সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্ররা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োটেকনোলজি, ন্যানোটেকনোলজি, অ্যাডভান্সড টেকনোলজি, হাডওয়্যার ও সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংসহ সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল টেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনেও শিক্ষাদান কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ থাকবে শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি বাণিজ্য উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর সেন্টার প্রতিষ্ঠার বিধানও বিলে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানেও ভিসিসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তা -কর্মচারী নিয়োজিত হবেন।
বিলের উদ্দেশ্য কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চতর প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও হস্তান্তর এবং বিশ্বমানের প্রযুক্তির প্রয়োগ ব্যাপক সম্প্রসারণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে গাজীপুর জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিগ্রি প্রদান, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং দেশে ও বিদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে নতুন নতুন উদোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা প্রয়োজন।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ আইন
এছাড়াও রোববার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকে এদেশের মানুষের স্মৃতিতে চির অম্লান রাখার লক্ষ্যে তাঁর স্মিতিবিজড়িত সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে তাঁর নামে একটি বিশ্ব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিধান করে ‘রবীন্দ্রবিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ আইন ২০১৬’ সংসদে পাস হয়েছে। সরকারি এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও দর্শন, সাহিত্য ও সংগীত এবং বিশ্ব সংস্কৃতি বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণা করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে পাস হয়।