• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন |

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে

22.01 jpgমমিনুল ইসলাম বাবু, কুড়িগ্রাম: ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলার নদ-নদীর অববাহিকার দুই শতাধিক চর ও দ্বীপচরের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। গত পাঁচদিন ধরে পানিবন্দি মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে থাকায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে প্রায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বন্যা দুর্গত এলাকার অনেক পরিবার গবাদিপশু নিয়ে উঁচু বাঁধ ও পাকা সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। চিলমারী উপজেলার অষ্টমীর চরের বাসিন্দা মজিবর রহমান বলেন, ‘ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়েছে। কোনো রকমে চৌকির ওপর বউ-বাচ্চা নিয়ে আছি। কাজও নাই খাবারও নাই। কেমন করে বাঁচি। পানি যেভাবে বাড়তেছে তাতে মনে হয় বাঁচার উপায় নাই।’ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যার্তদের জন্য জেলার ৯ উপজেলায় পাঁচ লাখ টাকার শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিতরণ করা  হয়েছে। এ ছাড়াও দুই লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ৯০ মেট্রিক টন চাল বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে আরো দুইশ’ মেট্রিক টন চাল ও দুই লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে তাও বিতরণ করা হবে।  কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে দুধকুমারের পানি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ