ঢাকা: যে কোনো সময় কার্যকর করা হতে পারে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায়। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর কনডেম সেলে রয়েছেন।
কারা সূত্রে জানা যায়, ফাঁসি কার্যকরের সময় মঞ্চের পাশে উপস্থিত থাকবেন সিভিল সার্জন আলী হায়দার, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল ইকবাল হাসান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম আলম, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন অর রশিদ, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক।
এছাড়াও মঞ্চের পাশে উপস্থিত থাকতে পারেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের একজন প্রতিনিধি এবং র্যাবের একজন প্রতিনিধি। ফাঁসির মঞ্চের চারদিক ঘিরে রাখবেন ১০ জন কারারক্ষী। থাকবেন প্রধান জল্লাদ ও সহযোগী জল্লাদরা। ফাঁসি কার্যকরের পর মীর কাসেম আলীকে মৃত ঘোষণা করবেন সিভিল সার্জন।
সূত্র আরো জানায়, মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকর করতে জল্লাদ শাহজাহান, শাহীন ও দীন ইসলামসহ কয়েকজনকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
গত ৩০ আগস্ট মীর কাসেমের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এরপর তিন দিনের মাথায় মীর কাসেম জানান তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না। তারপরই কারা কর্তৃপক্ষ রায় কার্যকরের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে। শনিবার সন্ধ্যায় রায় কার্যকরের নির্বাহী আদেশ পৌঁছে কারাগারে।