• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন |

মানিকগঞ্জের পথে কাসেমের লাশবাহী গাড়ি

কাসেমঢাকা: কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে মীর কাসেম আলীর লাশবাহী গাড়ি তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কারা ফটক থেকে লাশবাহী পুলিশের অ্যাম্বুলেন্সটি হরিরামপুরের উদ্দেশে রওনা হয়। এসময় আরও দু’টি অ্যাম্বুলেন্স ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৬টি গাড়ি কারা ফটক থেকে সঙ্গে রয়েছে।
এর আগে রাত সাড়ে ১০টায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।
মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সামনে-পেছনে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে মরদেহ গাজীপুরের চন্দ্রা, আশুলিয়া, নবীনগর, ধামরাই, সাটুরিয়া হয়ে নিজ গ্রাম হরিরামপুরের চালা ইউনিয়নের চালায় নেওয়া হবে এবং সেখানেই তার দাফন হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে, লাশ নির্বিঘ্নে ঢাকা থেকে চালা গ্রাম পর্যন্ত নিতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এজন্য ঢাকা থেকে চালা গ্রাম পর্যন্ত সড়ক ও মহাসড়কের দু’পাশে এবং মোড়ে মোড়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার পর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় দেশের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীকে। গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ফাঁসির মঞ্চে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
সেসময় কারাগারের সামনে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, রাত ১০টার পরই মীর কাসেম আলীকে ফাঁসির মঞ্চে তুলে গলায় ফাঁস পরানো হয়। আর এরপর ফাঁসি দিয়ে ঠিক রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
মীর কাসেমের ফাঁসি হলে এটি হবে মানবতাবিরোধী অপরাধে ষষ্ঠ ফাঁসি। এর আগে একই অপরাধে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ