শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর: এখনও খুশি নন চাঁদপুরের ব্যবসায়ীরা। পড়েছেন দ্বিধা-দ্বন্ডে। বাজারে ক্রেতা আছে কিন্তু বিক্রি নেই। গতবার ঈদুল আযহাতেও প্রথমার্ধেই ঈদ বাজারে এক দফা বেচাকেনা হয়েছিল। কিন্তু এবার ঈদ মার্কেটের পরিস্থিতি ভিন্ন।এছাড়া চলছে বর্ষার মৌসুম। চাঁদপুরে কয়েকদিন ধরে চলছে গুরি গুরি বৃষ্টি। আর এর কারণে মধ্যেও ঈদ বাজারে তেমর প্রভাব ফেলেনি। মঙ্গলাবার চাঁদপুর শহরের ফয়সাল শপিং কমপ্লেক্স, হাকিম প্লাজা, তমা প্লাজা, মীর শপিং কমপ্লেক্স, চাঁদপুর টাওয়ার, রেলওয়ে হকার্স মার্কেটসহ শহরের অন্যন্য মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ করা যায়নি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ক্রেতারা ঈদ বাজারে আসছেন। কিন্তু এবার ক্রেতারা আসলেও কেনাকাটায় ঝুকছেন না কেউই। কি কারনে এবার এমন হচ্ছে আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না। হয়তো দেশের পরিস্থিতির কারনে মানুষ ঈদ মার্কেটে আসতে ভয় পাচ্ছেন। গতবার এই সময়ে ভালো বিক্রি ছিলো কিন্তু এইবারের চিত্র পুরো ভিন্ন। আশা করি এসপ্তাহ শেষ হলে কিছুটা বিক্রি শুরু হবে। হাকিম প্লাজার এক ব্যবসায়ী জানান, এবার এখনও ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেনি। বেচাকেনা বাড়বে না কমবে সে বিষয়ে ব্যবসায়ীরা শঙ্কিত। কারণ, গতবার এমন দিনে বেশ ভালো বিক্রি হয়েছিল। ঈদ বাজারে ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান সাজিয়েছেন অধিকাংশ ভারতীয় পণ্য দিয়ে। এবারের ঈদ বাজারে ৬০ ভাগ কাপড়ই ভারতীয় বলে জানা গেছে। ফলে সামনে ঈদকে টার্গেট করে কিছু চোরাকারবারীম বেশির ভাগ ভারতীয় পণ্য বেশি দামে বিক্রি করার লক্ষে সীমান্ত থেকে চোরাই পথে নিয়ে এসে বিক্রি করছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে। এ সকল পণ্য ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করার সময় ব্যবসায়ীরা দাম হাঁকান লাগাম ছাড়া। চাঁদপুর শহরের মার্কেটগুলোতে ক্রেতা দাম নিয়ে প্রশ্ন তুললে বিক্রেতারা বলেন, এসকল পণ্য আনা হয়েছে সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে। তাই দাম একটু বেশি হকিয়ে নিচ্ছে। ভারতীয় অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সিরিয়ালের নামে শাড়ি ও থ্রিপিসে ভরপুর ছোট বড় মার্কেটগুলো। ঈদকে সামনে রেখে প্রতিদিনই আসছে হরেক রকমের বাহারি নাম ও ডিজাইনের বিদেশি কাপড়। ক্রেতাদের চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখেই ব্যবসায়ীরা দোকান সাজান। তাই এবার ঈদ উপলক্ষে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যে বিনিয়োগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় কাপড়ের মধ্যে অধিক পরিমাণে রেডিমেড পোশাক, শাড়ি, কাটাকাপড়, মেয়েদের হরেক নাম ও ডিজাইনের বাহারি পোশাক আনা হয়েছে।