সিসি নিউজ: নীলফামারীর সৈয়দপুরের কৃতি সন্তান মেসার্স ইউসুফ ডেইরী ফার্মের মালিক রোটারিয়ান মো. জামিল আশরাফ মিন্টু হরমোন, এন্টিবায়োটিক ও রাসায়নিক ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু-ছাগল লালন পালন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। এর স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পেয়েছেন মাদার তেরেসা পদক। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুনবাগিচার প্রফেসর আক্তার ইমাম, প্রিয় প্রাঙ্গন ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস আয়োজিত মাদার তেরেসা ১০৬তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিচারপতি শিকদার মকবুল হক এর হাত থেকে সফল ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হিসাবে বিশেষ অবদান রাখার জন্য মাদার তেরেসা পদক ২০১৬ প্রদান করা হয় মিন্টুকে।
সৈয়দপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব সাহাবুদ্দিনের ছেলে মিন্টু। অন্য পেশায় না গিয়ে বাঁশবাড়ী এলাকায় ভেজালমুক্ত প্রাকৃতিক উপায়ে গবাদি পশু পালন করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রতিদিন তার খামারে অনেক লোক ভিড় জমায় খামার দেখার জন্য। প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিটি গরু ছাগল ছাড়পত্র প্রাপ্ত। গত কুরবানীতে তার খামারে গরু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যায়। খামারের সব গরু ছাগল বিক্রি হয়ে যায়। এনিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে ঢাকার এক নামকরা ব্যবসায়ী এই খামারে এসে ২১টি গরু ও ১০টি ছাগল ক্রয় করে নিয়ে যায়। তাছাড়া সংবাদটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গেলে বিভিন্ন প্রতিনিধি দল খামার পরিদর্শনে আসেন। এই প্রথম সৈয়দপুরে কোন খামারি পদক পেলেন।
পুরস্কারের ব্যাপারে শুক্রবার মিন্টুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কোনদিন ভাবতে পারিনি এত বড় একটা পদক পাবো। এ পদক আমার নয়, সৈয়দপুরবাসী ও খামারি মালিকদের। তিনি যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে অল্প পুঁজি দিয়ে এরকম ব্যবসা করে অল্পদিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়। সেই সাথে নিজেকে যেমন স্বাবলম্বী করা যায় তেমনি অনেক উপরে উঠা যায়। সেই সাথে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা যায়।