• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বদরুল

বদরুলসিসি নিউজ: সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে খাদিজা আক্তার নার্গিসকে কোপানোর দায়ে ছাত্রলীগ নেতা ও কথিত প্রেমিক বদরুল আলম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার বিকালে অতিরিক্ত মহানগর মুখ্য হাকিম শারাবান তহুরার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বদরুল।

প্রায় পৌনে দুই ঘন্টাব্যাপী স্বীকারোক্তি প্রদানকালে বদরুল আদালতকে জানায়, খাদিজার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের বাড়িতে লজিং থাকাকালে তার সঙ্গে এ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানজানি হওয়ার পর খাদিজার পরিবার তা মেনে নিতে পারেনি। আমাকে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়।
পরবর্তীতে পারিবারিক চাপে খাদিজা আমাদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে। বারবার তাকে সম্পর্ক রাখার জন্য চাপ দিলেও সে পাত্তা দেয়নি। গত সোমবার পরীক্ষার খবর পেয়ে আমি খাদিজার সঙ্গে দেখা করতে এমসি কলেজে যাই। সেখানে গিয়ে খাদিজার সঙ্গে কথা বলে বুঝানোর চেষ্টা করি। কিন্তু খাদিজা আমাকে পাত্তা না দিয়ে উল্টো রূঢ় আচরণ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার সঙ্গে থাকা চাপাতি দিয়ে খাদিজাকে কোপাতে থাকি।

জবানবন্দী শেষে আদালত থেকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) তৌহিদুর রহমান।
তিনি জানান, জবানবন্দী শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর কড়া পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে হাসপাতাল থেকে বদরুলকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে এসে আদালতে হাজির করে শাহপরান থানা পুলিশ।
উল্লেখ্য, সোমবার বিকেলে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় এমসি কলেজের পুকুর পাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খাদিজাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বদরুল আলম (২৭)।
বদরুল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৮-০৯ সেশনে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল বদরুল। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার খুরমার মুনিরজ্ঞাতি গ্রামে। সে ওই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
আর খাদিজা সদর উপজেলার আউশা এলাকার সৌদী আরব প্রবাসী মাসুক মিয়ার মেয়ে। পরিবারের সাথে সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকার বসবাস করেন তিনি।
এদিকে, খাদিজা অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় বর্তমানে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ