• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

সুন্দরবনে শিশুদের দাস শিবিরের সন্ধান

252769_1সিসি ডেস্ক: বাংলাদেশের সুন্দরবনে শিশুদের বেশ কয়েকটি দাস শিবিরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কেভিন বেলস সম্প্রতি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এসব অস্থায়ী শিবিরের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন। খবর দি টেলিগ্রাফের।

স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সুন্দরবন ন্যাশনাল পার্কের ১ হাজার ৩শ ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় পুরনো ও নতুন ছবি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তিনি এসব প্রকল্পের অবস্থান শনাক্ত করেন। বেলস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবনে কয়েকশ’ শিশু ক্রিতদাসের মতো পরিশ্রম করছে। অধ্যাপক বেলস জানিয়েছেন, তার কাছে প্রমাণ রয়েছে যে এদের বয়স ৯ থেকে ১৪ বছর। আগামী বৃহস্পতিবার বিষয়টি তিনি হাউজ অব পার্লামেন্টে তুলবেন বলে জানিয়েছেন।

কেভিন জানিয়েছেন, সংরক্ষিত বনভূমির মধ্যে সুন্দরবন জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত দু’টি শুটকি প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পে এসব শিশুদের শ্রমিক হিসেবে কাজ করানো হয়। শিবিরগুলো স্থাপনের কারণে সংরক্ষিত বনভূমি উজাড় হচ্ছে। যা সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্যও নষ্ট করছে। কেভিন জানান, টানা ৪০ ঘণ্টাও এসব শিশুদের কাজ করানো হয়।

তিনি বলেন, ‘স্যাটেলাইটের ছবিতে যে সব ভবন দেখা যায় আসলে সেগুলো ভবন নয়। সেসব জায়গায় মূলত ওই শিশুশ্রমিকদের থাকতে দেওয়া হয়।’ অধ্যাপক বেলসের দাবি, এসব শিশুদের অনেকেই কঠোর পরিশ্রম করে থাকে। এসব শিশুদের সঠিকভাবে খাবার দেয়া হয় না, পাশাপাশি তাদের যৌন হয়রানির শিকারও হতে হয় বলে জানান তিনি।

তিনি দাবি করেন, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ওইসব অস্থায়ী শিবির থেকে পালিয়ে আসা অন্তত ৯ জনের সঙ্গে তিনি কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন।

অবশ্য অধ্যাপক কেভিনের দাবি প্রসঙ্গে ইউনেস্কো আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করেনি। তাদের মতে, এসব সংরক্ষিত এলাকার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের উপরই বর্তায়।

এদিকে কেভিন বেলসের দাবি প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বন বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের দাস হিসেবে ব্যবহারের কোনও অভিযোগ এখনও আসেনি। তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ