• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন |

হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম দীপাবলি উৎসব আজ

হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী দুর্গারই একটি শক্তি কালী। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালীপূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয়ের মধ্যেই রয়েছে কালীপূজার মাহাত্ম্য।
বিভিন্ন রূপভেদ আছে কালীর। অর্থাৎ, দক্ষিণাকালী, শ্মশানকালী, ভদ্রকালী, রক্ষাকালী, গুহ্যকালী, মহাকালী, চামুন্ডা ইত্যাদি। আবার বিভিন্ন মন্দিরে ‘ব্রহ্মময়ী’, ‘ভবতারিণী’, ‘আনন্দময়ী’, ‘করুণাময়ী’ ইত্যাদি নামে কালীপ্রতিমা প্রতিষ্ঠা ও পূজা করা হয়।
আশ্বিন-কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা কালীপূজা বিশেষ জাঁকজমক সহকারে পালিত হয়। এছাড়া মাঘ মাসে রটন্তী কালীপূজা ও জ্যৈষ্ঠ মাসে ফলহারিণী কালীপূজাও বিশেষ জনপ্রিয়। অনেক জায়গায় প্রতি অমাবস্যা এবং প্রতি মঙ্গলবার ও শনিবারে কালীপূজা হয়।
বাঙালি সমাজে কালী দেবীর উপাসকরা বিশেষ সম্মান পেয়ে থাকেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রামকৃষ্ণ পরমহংস ও তার শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ, রামপ্রসাদ সেন, কমলাকান্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ।
কালীকে বিষয়বস্তু করে রচিত ‘শ্যামাসংগীত’ বাংলা সাহিত্য ও সংগীত ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কলকাতায় অনেক কালীমন্দির আছে বলেই ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে কালীকে ‘কলকাত্তাওয়ালি’ (কলকাতানিবাসী) বলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ