ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় জনৈক্য জাহানারা বেগম বাদী হয়ে শ্লীলতাহানী ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগে পাথর ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী আবু কালামের বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় একটি মামলা দাখিল করেছে ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দোহলপাড়া (পাগলপাড়া বাজার) গ্রামের রফিকুল ইসলামের বাড়ীর উপড় দিয়ে একই গ্রামের আশরাফ আলীর বড় ছেলে আবু কালাম অবৈধভাবে পল্লী বিদ্যুতের তার নিয়ে গিয়ে বাড়ীতে সংযোগ দেন। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জাহানারা বেগম প্রতিবাদ করে বলেন, এভাবে অবৈধভাবে বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়ায় যেকোন মুহুর্তে আমরা বাড়ীর সকলে বিপদে পড়তে পারি। এমন কি বাড়ীটি বিদ্যুতায়িত হয়ে আমাদের পরিবারে সকলের ক্ষতি হতে পারে । এই আশংকায় বিদ্যুতের ঐ তা সরানো জন্য আবু কালামকে চাপ দিলেও তিনি শুনে না। কিন্তু ঘটনার দিন ঐ বিদ্যুতের তার লেগে রফিকুল ইসলামের বাড়ীটি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এ ঘটনায় রফিকুলরের স্ত্রী বিদ্যুতের তার সরানোর জন্য বললে গত ১৩ নভেম্বর সকালে আশরাফ আলীর হুকুমে তার তিন পুত্র আবু কালাম (৩২), রজব আলী (২০), সাহেব আলী (২৫) ও কালামের স্ত্রী হাচিনা বেগম (২৮) রফিকুলের বাড়ীতে এসে ঝগড়া বিবাদের এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা বেগমকে বেগতিক মারপিট করে শ্লীলতাহানী ও ফুলা জখম করে তার কানে থাকা স্বর্নের দুল যার মূল্য ২৭ জহাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ সময় এলাকাবাসী জাহানারা বেগমকে উদ্ধার করে ডিমলা হাসাপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় জাহানা বেগম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটানয় আহত জানহানা বেগম উল্লেখিত ব্যাক্তিগণের বিরুদ্ধে গত ১৪ নভেম্বর ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত চলছে বলে ডিমলা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আবু কালামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।
ডিমলায় নবান্ন উৎসবে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা
নতুন ধানে, নতুন চালে, মেতে উঠি নবান্নের উৎসবে। ১লা অগ্রাহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ১৫ নভেম্বর ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় এবারেই প্রথম বারের মত নবান্ন উৎসবে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং ডিমলা মহিলা মহাবিদ্যালয় ও বাবুরহাট মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। এ সময় গ্রাম বাংলার কৃষক/কৃষাণীসহ সকল স্তরের মানুয়ের ঢল নামে নবান্ন র্যালীতে। র্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ চত্তরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তবিবুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিমলা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোঃ মোকলেছুর রহমান। বাবুরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহফুজার রহমান লেবু’র উপস্থাপনায় বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মিয়ার উদ্দিন, বাবুর হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেহেনা জামান, ইসমোতারা শান্তা, মাসুমা জেসমিন, লায়লা আন্জুমান এবং আদর্শ কৃষক/কৃষাণী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, সমাজ সেবক, সাংবাদিক বৃন্দ প্রমূখ।