• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

এটিএম বুথ থেকে ছড়াচ্ছে যৌনরোগ

%e0%a6%8f%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a5প্রযুক্তি ডেস্ক: এবার এটিএম বুথ থেকে ছড়াচ্ছে যৌনরোগ। এই নিত্যপ্রয়োজনীয় যন্ত্রটি যে কখন মানুষের জীবনে অস্থিমজ্জার মতো মিশে গেছে তা আরও ভালো করে বোঝা যাচ্ছে নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর। লাইনে দাঁড়িয়ে মেশিনের কাছে পৌঁছানো, এবং হাতে নোট নিয়ে বেরিয়ে আসার পর যুদ্ধজয়ের হাসি হাসছেন গ্রাহকরা। তবে হাসিমুখ ব্যাজার হতে পারে একটি তথ্য জানলে। যাঁরা দৈনন্দিন এটিএম এ যান, তাঁদের এই তথ্যটি জেনে রাখা ভালো।
আপনার সেবায় সদা নিয়োজিত এটিএমটি বহু আকাঙ্ক্ষিত নোট হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি সবার অলক্ষ্যে একটি প্রাণঘাতী কাজও সেরে ফেলছে জানেন কি?
একদল বিজ্ঞানীর গবেষণায় উঠে এসেছে, এটিএম এর যে কি প্যাডটির সাহায্যে আপনি নোট পাওয়ার প্রক্রিয়া সুগম করেন, সেখানেই লুকিয়ে আছে অসংখ্য প্রাণঘাতী জীবাণু। যখনই না আপনি কি প্যাডের বাটনে চাপ দিচ্ছেন, সেই জীবাণুর দল জায়গা পরিবর্তন করে চলে আসছে আপনার শরীরে। অজান্তেই। এরপর আপনি অসুস্থ হয়ে পড়লে সেই সুযোগে শরীরের সার্বিক ক্ষতি করতে তেড়েফুঁড়ে লাগছে জীবাণুর দল।
নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেন কার্লটনের নেতৃত্বে এক গবেষকদল গবেষণা চালিয়ে জানতে পেরেছে এটিএম কি প্যাড জীবাণুদের আস্তানা। নানা উৎস থেকে সৃষ্ট জীবাণুরা জাঁকিয়ে বসে থাকে এটিএম কি প্যাডে। বায়ু বা ভূমিবাহিত জীবাণুরা সহজেই কি প্যাডের ওপর বাসা বেঁধে ফেলে। এবং দ্রুত স্থানান্তরে সক্ষম হয়।
প্রফেসর কার্লটনের নেতৃত্বে গবেষকদলটি ম্যানহাটন, কুইনস এবং ব্রুকলিন শহরের প্রায় ৬৬টি এটিএম থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। ২০১৪ সালের জুন-জুলাইয়ে ওই নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বিশেষ পদ্ধতিতে এটিএম কি প্যাড থেকে সংগ্রহ করা হয় উঘঅ। তারপর শুরু হয় গবেষণা। দেখা যায়, টেলিভিশন, বিশ্রামঘর, রান্নাঘর, বালিশ, কাঁটাযুক্ত মাছ, শামুক, মুরগি, নষ্ট হয়ে যাওয়া দুগ্ধজাত সামগ্রীর মধ্যে যে ধরনের জীবাণু মেলে, ঠিক একই গোত্রের জীবাণুর স্বচ্ছন্দ আশ্রয় এটিএম কি প্যাডে।
গবেষকরা বলছেন, নিত্যদিনের কাজ যখন আমরা সারি, তখনও জীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। যেমন ধরা যাক কেউ একজন খাবার খেলেন। খাবার থেকে তার শরীরে চলে গেল জীবাণু। তারপর তিনি অঞগ-এ গেলেন টাকা তুলতে। তার হাতের জীবাণু চলে গেল এটিএম কি প্যাডে। তারপর সেখানে আগে থেকেই যে সব জীবাণুরা ছিল, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাল। পরে অন্যকোনও গ্রাহক যখন এটিএম এ টাকা তুলতে গেলেন, তখন চলে গেল তাঁর শরীরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ