• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন |

ডোমারের ইউপি সদস্য তিতাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা

11-copy-214x300সিসি নিউজ: অবশেষে নীলফামারীর ডোমারের ইউপি সদস্য তিতাস রহমানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনালে ওই মামলাটি দায়ের করেন কলেজছাত্রী। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিতাস রহমানকে প্রধান করে তার বাবা, ভগ্নিপতিসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার সক্ষিপ্ত বিরণে জানা গেছে, বামুনিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ওই একই ইউনিয়নের যুবলীগের আহ্বায়ক তিতাস রহমান ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে যৌনমিলন করে। এরপর বিয়ের চাপ দিলে টালবাহানা করতে থাকে তিতাস। এরই মধ্যে গত বুধবার তিতাস রহমান অন্যত্র বিয়ের প্রস্তুতি নেয়ার খবর পেয়ে ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে তিতাসের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন ওই তরুণী।
এ সময় তিতাস বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলে তার বাবা মশিয়ার রহমান তরুণীকে বাড়িতে রাতে থাকতে বলেন এবং পরদিন তিতাসকে এসে বিয়ে দেয়ার কাথা বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু পরদিন বিয়ে না দিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। রোববার ওই মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়ে সোমবার মামলাটি দায়ের করেন তরুণী।
কলেজছাত্রী ওই তরুণীর মামলার পক্ষের আইনজীবী মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন। কী আদেশ দিয়েছেন সেটি আজ (মঙ্গলবার) জানা যাবে।
তিনি বলেন, তরুণীকে ধর্ষণ, ধর্ষণের কাজে সহযোগিতা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ওই তরুণী বাড়ি ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটুকপুর ইউনিয়নের মৌজাপাঙ্গা গ্রামে। সে নীলফামারী সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাসের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
বিয়ের দাবিতে তিতাসের বাড়িতে ছাত্রীটি অবস্থানের সময় এলাকাবাসী এবং সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‍“প্রায় দেড় বছর আগে তিতাস রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনের মাধ্যমে আমার পরিচয় হয়। তারই সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ওই সম্পর্কের জের ধরে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন তিতাস।
এদিকে ইউপি সদস্য তিতাস রহমান ও তার বাবা মশিয়ার রহমান ওই তরুণীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ