বিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক বাসার মালিককে বাসা থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষ। প্রতিবাদ করায় ওই বাসার মালিককে লাঞ্চিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে সৈয়দপুর-রংপুর রোড আইয়ুব পাম্পের সামনে।
অভিযোগে জানা যায়, মধুরামপুর কামারপাড়া এলাকার মৃত নাসির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে নাজিব উদ্দিন মন্ডল ও সাহাবুদ্দিন মন্ডল বাবার সাড়ে ৩ শতক জমি পায় রংপুর রোডে। উভয়ের সম্মতিতে নাজিব উদ্দিন মন্ডল দ্বিতীয় তলা আর সাহাবুদ্দিন মন্ডল নিচ তলায় বাসা নির্মাণ করে। বাসা নির্মাণ করে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। নাজিব উদ্দিন চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাহাবুদ্দিনের বাসার সামনে ছোট একটি রুম নির্মাণ করে চিকিৎসা শুরু করেন। এতে তার বাসায় অপরিচিত ও বখাটেদের আনাগোনা চলে। প্রায় বাসায় অচেনা লোক যাতায়াত করে। ওইসব লোক যাতায়াত করে সাহাবুদ্দিনের কলেজ পড়ুয়া মেয়ের বেডের পাশ দিয়ে। এতে করে ওই শিক্ষার্থীর যেমন লেখাপড়া ব্যাঘাত সৃষ্টি ঘটে তেমনি ওইসব লোক তাকে ডেকে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করে। এতে করে পুরো পরিবারটি বখাটেদের হুমকির মুখে পড়েছে। কারণ হিসেবে জানা যায়, সাহাবুদ্দিন থাকেন গ্রামে।এ কারণে যদি তার পরিবার ভয়ে পালিয়ে যায় তাহলে বাসাটি তারা দখল করবে। অপরদিকে সাহাবুদ্দিন মন্ডল শহীদ নির্যাতিত পরিবারের সন্তান ও আলমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এছাড়া নাজিবউদ্দিন মন্ডল সম্প্রতি সাহাবুদ্দিনের নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ঘটনার দিন সাহাবুদ্দিন বখাটেদের ঘটনা নিয়ে কথা বললে নাজিবউদ্দিন তাকে মেরে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়।
অপরদিকে সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী রংপুর রোড অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করলে নাজিবউদ্দিন মন্ডল তার অংশটি ভেঙ্গে না ফেলে বহাল তবিয়তে রয়েছে। উল্টো তিনি আশপাশের লোকজনকে হুমকি প্রদান করছে। এলাকার লোকজন তার দাপটের উৎসাহ কোথায় জানতে চান। এ ব্যাপারে সাহাবউদ্দিন মন্ডল সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে ঘটনাটি জানিয়েছেন। সাহাবউদ্দিন প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার আশা করছেন। থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৌখিকভাবে শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।