সৈয়দপুর থানার ওসি আমীরুল ইসলাম জানান, আটক নবিউল ইসলাম কালাকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী তাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড প্রদান করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২৩ নভেম্বর সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের আইসঢাল খিয়ার পাড়া আলিম মাদ্রাসার ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী নুর নাহারের বাবা-মা ও স্বজনরা মিলে আয়োজন করেছিল তার বিয়ে। গভীর রাতে কৌশলে মোবাইল ফোনে বিয়ের খবরটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে অবহিত করে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আফজাল বিন নাজির তাৎক্ষনিক ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়েটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়। কিন্তু ভোর রাতে নুর নাহারের বাবা-মা ঘুম থেকে তাকে ডেকে নিয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিয়ে জোর পূর্বক তার বিয়ে দেয়।
পরদিন এ বাল্যবিয়ের প্রতিবাদে নুর নাহার সহ সহপাঠিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মানববন্ধন শেষে দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্মারক লিপি প্রদান করে।
এ ঘটনায় ইউএনও তাৎক্ষনিক সৈয়দপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলামকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। কিন্তু ঘটনার সাত দিন পর পুলিশ নুর নাহারের বাবা কালাকে গ্রেফতার করে।
অপরদিকে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বাড়িতে থাকা নুর নাহার দিনদিন মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ছে বলে জানান আশ্রয়দাতা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. আফজাল বিন নাজির ও শ্রেনী শিক্ষিকা শাহনাজ বেগম।



সিসি নিউজ: নিজের বাল্যবিয়ের প্রতিবাদকারী নুর নাহারের বাবা নবিউল ইসলাম কালাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। পুলিশ বুধবার সৈয়দপুর শহরের দারুল উলুম এলাকা থেকে তাকে আটক করে।
