।। মাহবুব কামাল ।।
গ্রামাঞ্চলে বলে- নেই কাজ, তো খৈ ভাজ্। ডিনারের পর ঘুমানোর আগ পর্যন্ত সাধারণত কোনো কাজ থাকে না। তো কী করা? টকশো দ্যাখ্। টেলিভিশনের রাজনীতিবিষয়ক টকশোগুলোর অধিকাংশেরই (এখানে অধিকাংশ মানে নিছকই ৫১ শতাংশ নয়, আরও বেশি) মানে চিরপুরাতন কিছু কথা, বাস্তবতাবর্জিত বাংলাদেশ, নিজের বা নিজ দলের মতকে (opinion) জাতির মত বলে চালানোর চেষ্টা, কখনও আবার ঝগড়া-বিবাদের প্রচণ্ড শব্দে কথাই বুঝতে না পারা। তারপরও কী এক দুর্বোধ্য প্রহেলিকায় থেকে যাই পর্দার সামনে। হয়তো দোষটা অভ্যাসেরই, অভ্যাসকে তো আর এমনি এমনি ‘দ্বিতীয় স্বভাব’ (second nature) বলে না। ব্যাপারটা এমন যে, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার দু-তিন মাস পর যেমন গুলির শব্দ ছাড়া ঘুম আসতো না, ঠিক তেমন প্রথম প্রথম বেশ কিছুদিন টকশো দেখতে দেখতে স্বভাবটা এমন হয়েছে, ঘুমানোর আগে কিছু অপ্রয়োজনীয় কিংবা বিরক্তিকর কথা শোনা চাই।
তো কয়েকদিন আগে যমুনা টেলিভিশনের ‘২৪ ঘণ্টা’ নামের টকশোটি দেখছিলাম। এই শো’য়ের বুদ্ধিদীপ্ত অ্যাংকর- মাহফুজ মিশু ও শারমিন চৌধুরী- দুজনের সঙ্গেই আমার সম্পর্ক প্রীতিকর। ফলে দেখি। এদিন স্টুডিওতে আনা হয়েছিল চিরবৈরী দুই দলের দুই নেতা- যথাক্রমে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদুকে। দু’জনের কথাই এত গুরুত্বহীন ছিল যে, সেগুলো এখন আর মনে নেই। তবে দুদু সাহেবের একটি কথা কানের সঙ্গে লেপ্টে আছে এখনও। এ ধরনের কথা মানসিকভাবে সুস্থির কেউ ‘supposing’ অথবা বাংলায় ‘ধরো যদি এমন হয়’ দিয়ে শুরু করেও বলবে না। কোনো এক প্রসঙ্গে তিনি বললেন, শেখ মুজিবের আমলে চল্লিশ হাজার বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। বিএনপি ঘরানার অনেকের কাছে এর আগে সংখ্যাটি শুনেছি হাজার হাজার; দুদু সাহেব দৈত্যের মতো এক বিশাল লম্ফ দিয়ে পৌঁছে গেলেন ৪০ হাজারে।
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে আমি পুরোদস্তুর অ্যাডাল্ট ছিলাম, উপরন্তু ছিলাম বিরোধীদলীয় রাজনীতির সক্রিয় কর্মী। এই সাড়ে তিন বছরে কতজন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছিলেন, সে সম্পর্কে আমার মোটামুটি একটা ধারণা আছে। ভেবেছিলাম রহমান সাহেব দুদুর সংখ্যাতত্ত্বটির প্রতিবাদ করবেন। তিনি কিছুই বললেন না। আর তাতে বিপদ হল আমার। সত্য বলার দায় নিতে হল এবং তার মানে অ্যান্টি-আওয়ামী লীগারদের গালি খেতে হবে- এই ব্যাটা আওয়ামী লীগের দালাল। আমাকে এই বিপদে না ফেললেই কি চলত না রহমান সাহেবের? হ্যাঁ আমি বিপদগ্রস্ত হতে রাজি আছি; তবে আওয়ামী লীগসহ কোনো দলই আমার পছন্দের না হলেও জাতির পিতার এই অপমান মানতে রাজি নই কোনোভাবেই। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের কত সুবিধা! তাদের প্রধান যে অবলম্বন- মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু- কেউ উল্টাপাল্টা কিছু বললে সদাপ্রস্তুত এক দঙ্গল নির্দলীয় ঠিকাদারের কেউ না কেউ নিজস্ব উদ্যোগে ইট-বালি-সুরকি জোগাড় করে নিখরচায় তুলে দেয় যুক্তির দেয়াল। কেউ কেউ অবশ্য মোটা অংকের বিল-ভাউচার পাস করিয়ে নেয়, বেশিরভাগই কোনো ধরনের নির্মাণ খরচের অপেক্ষায় থাকে না, উল্টাপাল্টা কথাগুলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে সঙ্গে তাদের গায়েও লাগে বলে ঠিকাদারিটা তাদের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত। যাকগে।
টকশোটি শেষ হলে আমি মিশুকে ফোন করে আবদুর রহমানের ফোন নম্বর নিয়ে কল করি তাকে। একাধিক কলেও তিনি যখন রেসপন্ড করলেন না, বাধ্য হয়ে আমি আমার পরিচয় দিয়ে মেসেজ করলাম একটা। এর পরের কলটিও তিনি ধরলেন না। বাংলাদেশে সাংগঠনিক যোগ্যতাই শ্রেষ্ঠ প্রতিভা। এই যোগ্যতার বলে তিনি এমপি হয়েছেন, দেশের বৃহত্তম দলটির একজন অন্যতম কর্ণধারও বনে গেছেন, অন্য যোগ্যতাগুলো তার কাছে তুচ্ছ। তিনি কেন আমার সঙ্গে কথা বলতে যাবেন? এখন আমি তাহলে কী করি, আমার যে রক্ত উঠে গেছে মাথায়। ফোন করলাম সে রাতের অ্যাংকর শারমিনকে। তাকে বললাম, আপনি এখনি দুদু সাহেবকে ফোন করে বলেন, আপনি ৪০ হাজারের কথা বলেছেন, অত লাগবে না, ৫০০ জনের একটি তালিকা দিলেই চলবে, যদি পারেন মাহবুব কামাল সাহেব আপনাকে টেন মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পুরস্কার দেবেন। পাঠক, সংখ্যাটা ৫০০ না বলে আমি ২০০, এমনকি ১০০ও বলতে পারতাম; কিন্তু আমার কাছে যেহেতু অত টাকা নেই, তাই একশ’ ভাগ রিস্ক-ফ্রি থাকতে চেয়েছি। এবার তাহলে পড়তে থাকুন।
এই কলামটি লিখতে গিয়ে প্রথমেই আমার নানির কথা মনে পড়ে। তিনি পুঁথি পড়তেন- লাখে লাখে সৈন্য মরে কাতারে কাতার, গুনিয়া দেখে মর্দ বত্রিশ হাজার! এটা বোধহয় মানবস্বভাবেরই অন্তর্গত একটি দিক যে, মানুষ সংখ্যা বাড়িয়ে বলতে ভালোবাসে, উদ্দেশ্য থাকে তার, বিষয়টিকে গ্লোরিফাই করার। ঘটনাটা যদি যুদ্ধ হয়, তাহলে তো কথাই নেই। এজন্যই বলা হয়- truth is the first casualty of war -যুদ্ধে সবচেয়ে আগে নিহত হন সত্য বাবু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথাই ধরা যাক। মিত্রশক্তির বিজয়ের পর মিত্রদের সবাই নিজ নিজ গৌরব জাহির করতে মৃতের সংখ্যা বাড়িয়ে বলা শুরু করল। রাশিয়া বলল, তাদের নাকি ২ কোটি লোক মারা গেছে। পাঠক, দুই কোটি লাশ কল্পনায় পাশাপাশি রেখে একবার দেখুন তো কেমন সে দৃশ্য। রাশিয়ার মোট লোকসংখ্যাই বা কত ছিল তখন? নাজি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে নিহতদের যে সংখ্যা দেয়া হয়েছিল, তা-ও ইতিহাসের গ্লোরিফিকেশন ছাড়া কিছুই নয়। আবার দেখুন, ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে নেপোলিয়ন যে পরাজিত হলেন, তার মূলে ছিল রাশিয়ার তুষারপাত। অথচ নিহতদের নিয়ে ব্রিটিশদের সে কী বিলাপ, যেন ইংরেজ জাতির অবশিষ্ট বলে কিছু নেই। কিন্তু কারা মরল ওই যুদ্ধে? বিলাপ করতে করতে তারা ভুলে গেছে নিহতদের তালিকা করতে। কোনো যুদ্ধে যদি নিজেদের বেশি লোক মারা না যায়, সেটা আবার মহৎ যুদ্ধ হয় নাকি?
এবার আমরা মূল প্রসঙ্গে আসব। তারও আগে আরেকটি প্যারা লিখতে হবে। তিন জোটের নেতাদের অনেকেই এরশাদ আমলের শেষদিকে বক্তৃতা করতেন, তিনি হাজার হাজার মানুষ মেরেছেন। তো ’৯১-এ গঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনে যখন ১০৩ (অথবা ১০৭) জনের নামে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হল, আমি প্রশ্ন রেখেছিলাম- বাকিরা তাহলে কারা? দেশটা ছোট, সবাই সবাইকে চিনি, বাকি নিহতরা তালিকাভুক্ত হতে পারল না কেন? কথা আরও আছে। এই ১০৩ জনের মধ্যে এমন দু’একটি নাম আছে, যারা ফিকটিশাস ক্যারেক্টার, অর্থাৎ নন-এক্সিসটেন্ট, বাস্তবে এদের কোনো চেহারা নেই। আরও যে কথা, এই তালিকার অধিকাংশই নিহত হয়েছিল দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বে অথবা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডে কিংবা এরশাদ ছাড়া অন্য কোনো প্রতিপক্ষের হাতে। এ সংক্রান্ত সব কেস-স্টাডি বর্ণনা করতে গেলে আসল কথার স্পেস কমে যাবে। তিনটি উল্লেখ করছি। ছাত্রদলের নিরু-বাবলু জুটির বাবলু নিহত হয়েছিল মহসিন হলে বোমা বানাতে গিয়ে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর ঘটনা শেকসপিয়ারিয়ান ট্রাজেডির চেয়েও মর্মান্তিক। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বক্তৃতা করছেন আর ঠিক সেই সময়েই অনতিদূরে শামসুন্নাহার হল সংলগ্ন জগন্নাথ হলের দেয়ালের সামনে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তাকে হত্যা করেছিল তারই সতীর্থরা। বক্তৃতারত শেখ হাসিনা জানতেই পারলেন না তার সহযোগী ছাত্রনেতারা কী ভয়ানক কাণ্ডই না ঘটাচ্ছে একে অন্যকে হত্যা করে। হ্যাঁ, এবার শাহজাদপুরের শাহবাজ মাস্টারের মৃত্যুটি দেখুন। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের একটি মিছিলে ছিলেন তিনি। মিছিলটি ঢুকে যায় জামায়াতের অফিসে। আর ওখানেই সংঘর্ষ চলাকালে মারা যান তিনি। এই তবে এরশাদের দোষ, এভাবেই তাহলে সিদ্ধান্ত হয় যে, তিনি বাবলু-বাদল-শাহবাজের হত্যাকারী!
দুদু সাহেবের ৪০ হাজার তত্ত্ব শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমি একটি ভাগ-অংকের হিসাবে বসেছিলাম। তাতে পাওয়া গেল, বঙ্গবন্ধুর আমলে প্রতিদিন গড়ে ৩১ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এমন কথাও মানুষ বলে! সাড়ে সাত কোটি মানুষের দেশে যখন একজন মানুষের অপমৃত্যু দেশময় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করত, তখন প্রতিদিন ৩১ মানুষ! বঙ্গবন্ধুকে কলংকিত করার মহান (!) ব্রত নিয়ে ‘গণকণ্ঠ’ নামের যে দৈনিকটি প্রকাশিত হতো তখন, আর্কাইভ থেকে সেই সাড়ে তিন বছরের সংখ্যাগুলো বের করে পুনঃপাঠ করলেও এই আজগুবি সংখ্যা পাওয়া যাবে না সেখানে। তবে কি মিডিয়ার অগোচরেই ঘটেছিল হত্যকাণ্ডগুলো অথবা বঙ্গবন্ধু সরকারের ডর-ভয়ে কেউ সাহস পায়নি সত্য প্রকাশের? কিন্তু ’৭৫-এর ১৫ আগস্টে ক্ষমতা দখলকারী মোশতাক তো বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের শাসনের ওপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিলেন। কই, সেখানেও তো নেই গাঁজায় দম দেয়া এমন তথ্য!
থাকবে কী করে? তালিকাই তো করা হয়নি, দুদু সাহেবরা এই ৪১ বছরেও সেটা করেননি, অথচ যা খুশি তাই বলে চলেছেন মুখে। তালিকা তারা করবেনও না, কারণ সেক্ষেত্রে শ’ দুয়েকের বেশি নাম পাবেন না। তা-ও সেই নামগুলোর একটা বড় অংশজুড়ে থাকবে ছিনতাইকারীর গুলিতে নিহত কেউ অথবা ককটেল বানাতে গিয়ে মরে যাওয়া বুয়েটের শিক্ষক নিখিল চন্দ্র এবং এমন আরও অনেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের যে সেভেন মার্ডারস, তারাও কিন্তু বিরোধীদলীয় কর্মী নন, আওয়ামী লীগেরই অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে মরেছিলেন তারা। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর কাদের সিদ্দিকী বেয়নেট চার্জ করে যে কয়জনকে হত্যা করেছিলেন, তারা ছিলেন নন-বেঙ্গলি এবং সেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগেই।
বঙ্গবন্ধুর আমলে রক্ষীবাহিনী অথবা সরকারি অন্য কোনো বাহিনীর হাতে নিহত হওয়া বিরোধীদলীয় কর্মীদের প্রায় সবাই হয় জাসদ, নয়তো পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির অন্তর্গত। ‘প্রায়’ বললাম এজন্য যে, ’৭৩-এর ১ জানুয়ারি ভিয়েতনাম সংহতি দিবসে তোপখানাস্থ ইউসিস কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভরত অবস্থায় মতিউল ও কাদের নামের যে দু’জন রাজনৈতিক কর্মী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন, তারা ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য। জাসদ তখন ছিল একটি বৃহৎ আকারের রাজনৈতিক পরিবার, যার সদস্যদের মধ্যে ছিল প্রচণ্ড ফেলো-ফিলিং। এই পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে দুদু সাহেবের চেয়ে আমারই বেশি জানার কথা জাসদের কে, কোথায়, কখন এবং কীভাবে মারা গিয়েছিল। সংখ্যাটা একশ’র বেশি হওয়ার কথা নয়, যাদের মধ্যে রয়েছেন সিদ্দিক মাস্টার, হাদী, রবিউল, রশিদ, নার্গিস, কচি, বাদল বিশ্বাস, জাফর, নান্টু, মন্টু, মোস্তফা, জব্বার, মুকুল প্রমুখ।
পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির সিরাজ শিকদারের অতিরিক্ত কিছু কর্মী নিশ্চয়ই নিহত হয়েছে। তবে তাদের বেশিরভাগই মারা গেছে তাত্ত্বিক বিতর্কজনিত অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি দেয়াল লিখনের কথা মনে পড়ে- পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির রানা হায়দার গ্রুপের অবশিষ্টাংশের চক্রান্ত থেকে সাবধান! এ দেশের আন্ডারগাউন্ড চরমপন্থী দল ও গ্রুপগুলো যে ধ্বংস হয়ে গেল, সেটা কোনো বহিঃশক্তির আক্রমণে নয়, তত্ত্ব ও পাল্টা তত্ত্বই খতম করেছে একে অন্যকে।
দুদু সাহেবকে অনুরোধ করি, কথা বলার সময় দলিল-দস্তাবেজ-তালিকা হাতে রাখবেন। তা না হলে আমরা বলতেই থাকব- মিথ্যা তিন প্রকার- প্লেইন লাই, ড্যাম লাই ও স্ট্যাটিসটিক্স। দুদু সাহেবকে আরও বলি, জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে শত শত সৈনিক হত্যার অভিযোগ রয়েছে। আমরা কিন্তু হাতে তালিকা নেই বলে সে কথা বলতে যাই না।
পুনশ্চ : এক ধর্ষণ মামলায় ধর্ষিতার পক্ষের উকিল আদালতে বললেন, এই আসামি মেয়েটিকে সারারাত ধরে অন্তত দশবার ধর্ষণ করেছে। আসামি পক্ষের উকিল পাল্টা বললেন- মাননীয় আদালত, ইট ইজ ফিজিক্যালি ইমপসিবল। ৪০ হাজার মানুষ মেরে ফেলা বঙ্গবন্ধু সরকারের পক্ষে ফিজিক্যালি ইমপসিবল ছিল বটে।
লেখক : সাংবাদিক