• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী সাংস্কৃতিক উৎসব

মোহাম্মদ সাইফ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুল তলায় হয়ে গেল আদিবাসী সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৭। ‘বৈচিত্র্য বহুত্বের ঐক্যটানে এসো মিলে সর্বপ্রাণে’ এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য।শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় আদিবাসী নেতা সন্তু লারমা এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ অন্যান্যরা।

পাহাড়ি নাচ আর বিভিন্ন বাদ্যসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় হয় দুইদিন ব্যাপী আদিবাসী সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৭। বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যগত বিষয়গুলি তুলে ধরছেন আদিবাসী শিল্পীরা। সাঁওতালী নাচ, বাঁশি, গ্রীকা, জুম নাচ ও ঐতিহ্যবাহী ডোম নাচসহ ছিল নানা আয়োজন। আদিবাসীরা বলেন, ‘পাহাড়ি বাঙ্গালী ভাই ভাই। আমরা এক সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি’
শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত চলে এই আয়োজন। বাঙালী ও আদিবাসীদের সংস্কৃতির ভিন্নতা ঘুচিয়ে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক মেল বন্ধন সৃষ্টি করাই ছিল এই আয়োজনের আয়োজকদের উদ্দেশ্য । এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়নের বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেমন নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করতে চাই, লালন পালন করতে চাই। তেমনি সামগ্রিক ভাবে উন্নয়নের ধারাতে তাদের সম্পৃক্ত করতে চায়।’আদিবাসী নেতা সন্তু লারমা বলেন, ‘আদিবাসী সমাজ বিলুপ্তির দ্বার অতিক্রম করেছে।’
এদিকে উৎসবের প্রথম দিন বিকাল ৩টায় প্রবন্ধ পাঠ করেন পাভেল পার্থ। সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমা। বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে সাঁওতালী নাচ পরিবেশেন করে দিনাজপুরের সার্জম বাহা সাংস্কৃতিক দলের শিল্পীরা, গ্রিকা পরিবেশন করে গারো কালচারাল একাডেমি, বাংলা ঢোল পরিবেশন করে নৃপেন্দ্র ব্যান্ড পার্টি, জুম নাচ পরিবেশন করে গারো কালচারাল একাডেমি, ঐতিহ্যবাহী ডোম নাচ পরিবেশন করে দিনাজপুরের সাঁওতালী ডোম নাচের দলের শিল্পীরা।সঙ্গীত পরিবেশন করেন বীরহারা, সজীব, রেরে এবং সমগীত সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গণের শিল্পীরা। এবং উৎসবের দ্বিতীয় দিনে ছিল আদিবাসী ও বাঙালি চিত্রশিল্পীদের সমন্বয়ে চিত্রাঙ্কন, আদিবাসী-বাঙালি আড্ডা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সমাপনী অধিবেশন।
উৎসবে বাঙালি ছাড়াও সমতল ও পাহাড় মিলিয়ে প্রায় ৪৫ টিরও বেশী আদিবাসী গোষ্ঠী শিল্প-সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে তুলে ধরেছেন তাদের ঐতিহ্য। সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল দুইদিনব্যাপী এই আয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ