চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: বিয়ে বাড়িতে কনের গায়ে হলুদ,আত্মীয়-স্বজনদের জন্য খাবার প্রস্তুত। কনে পক্ষের অনেকেই খাওয়া শেষে চলে গেছেন। কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নের জন্য। সন্ধায় বর আসবে, সবাই অপেক্ষা করছিল। আনন্দ উল্লাসে ব্যস্ত ছিল শিশু ও যুবক যুবতীরা। সন্ধা গড়িতে রাত অবশেষে বর আসলেন। আবার দৌড়ঝাপ শুরু হলো। ব্যস্ততা বেড়ে গেল সবার মাঝে। খবর পেয়ে বাল্য বিয়ে ঠেকাতে হাজির হন এলাকার ইউপি সদস্য আঃ আজিজসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। আলোচনা শেষ হতে না হতেই মূহুর্তে খবর এলো পুলিশ আসছে। খবর পেয়ে বর পক্ষের লোকজন এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে। মুহুর্তেই সঙ্গে আনা গাড়ি বহর রেখে বর তার মাথার মুকুট ফেলে তিস্তারচর ও নদী অভিমুখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে, বৃহস্পতিবার রাতে চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের চরপাত্রখাতা এলাকায়। এসময় ইউপি সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের কাছে অপরাদ শিকার করে ভবিষ্যতে বাল্যবিয়ে না দেয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেন মেয়ের পরিবারের লোকজন। ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন কন্যা পাত্রখাতা রিয়াজুল জান্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রি’র সাথে কাশিম বাজার এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র মোস্তাফার সাথে বিয়ে ঠিক হয় বলে জানা জায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউপি সদস্য আঃ আজিজ জানান আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা বন্ধ করি এবং এই বিয়েতে মেয়েটিও রাজী ছিলনা বলেও জানান তিনি। আর এভাবেই বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় সপ্তম শ্রেনী ছাত্রীটি ।