সিসি নিউজ: প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় সৈয়দপুর পৌরসভার কাউন্সিলর আল মামুন সরকারের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-১ নীলফামারী । পুলিশের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদালত গত ২৫ জানুয়ারী আসামীকে সমন জারি করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড বাঙ্গালীপুর নিজপাড়া মহল্লার বাসিন্দা গাউছুল আযম ফারুকীর কাছ থেকে বৈদ্যুতিক খুটি সরানোর জন্য ৫০ হাজার, নির্মাণাধীন ভবনের ষ্টীল গেট নিমার্ণের জন্য চেক ও ষ্ট্যাম্পের মাধ্যমে ১ লাখ টাকাসহ মোট দেড় লাখ টাকা গ্রহন করেন কাউন্সিলর আল মামুন সরকার। দীর্ঘদিন হলেও গেট তৈরী না করে সম্পূন টাকা আত্মসাত করে উল্টো হুমকি প্রদর্শন করে। উপায় না পেয়ে নীলফামারী আমলী আদালতে অর্থ আত্মসাতের একটি মামলা করেন (পি-১১৮/১৬) গাউছুল আযম ফারুকী। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সৈয়দপুর থানাকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দেন। বাদীর অভিযোগ থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটির তদন্ত করতে গিয়ে স্বাক্ষী ও বাদীর সাথে কথা না বলে তদন্তে গড়িমসি করে এবং বিলম্বিত করেন। এতে বাদীর সন্দেহের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কার্তিক চন্দ্রকে পরিবর্তন করে এসআই অলকান্ত রায়কে দেয়া হয় তদন্তের ভার। এরপরও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বাদী গত ১০ জানুয়ারী আদালতে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য আবেদন করেন। আদালত বাদীর আবেদন গ্রহন করে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য সৈয়দপুর থানার ওসিকে নিদের্শ দেন। গত ২৩ জানুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে বিবাদী আল মামুন সরকারের বিরুদ্ধে আনীত বাদীর ৪০৬, ৪২০ ধারা প্রাথমিকভাবে সত্য বলিয়া প্রতিয়মান হইলেও বাদীর চেকে ও নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বিবাদী স্বাক্ষর করেছেন কিনা তাহা বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা অন্তে নিরুপন করা সম্ভব হইবে বলিয়া তদন্ত প্রতিবেদনে ওই কর্মকর্তা উল্লেখ্য করেন । তবে বিবাদীর বিরুদ্ধে বাদীর আরজিতে বর্ণিত ৩২৩/৫০৬(২) দন্ডবিধি ধারার অপরাধ প্রমানের স্বপক্ষে কোন সাক্ষ্য প্রমান মিলেনি।