সিসি ডেস্ক: গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সরকারদলীয় এমপি লিটন হত্যাকাণ্ডের পূর্বাপর খুনিদের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন ওই আসনের সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড উদ্ধার করে পুলিশ। এমপি লিটন হত্যার পরিকল্পনাকারী রিমান্ডে থাকা কাদেরকে তার কণ্ঠের ভয়েস রেকর্ড শুনিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা। আর তা শুনে বিস্মিত হয়ে কাদের বললেন, ‘এখন সব বলব, একটু সময় দেন।’ চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই সূত্র মতে, এমপি লিটন হত্যা মামলার দুই আসামি জাতীয় পার্টি নেতা কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান ও কিলিং মিশনের সদস্য আমিনুল ইসলাম রানাকে গত বৃহস্পতিবার মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। লিটন হত্যাকাণ্ডের কিলিং মিশনের সদস্য রানাকে বুধবার রাতে ঢাকা থেকে গ্রেফতারের পর গতকাল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নিয়ে যায় পুলিশ। সে সুন্দরগঞ্জের ভেলারাকাজির ভিটা গ্রামের মৃত তমসের আলীর ছেলে। সে ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিল। বিকেলে তাকে সেখানকার আদালতে তোলা হয়।
পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘লিটন হত্যার পর মামলাটির তদন্ত যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য আইজিপি গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ এলাকা সফর করে পরিবারসহ এলাকাবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন। ওই সময় তিনি বলে যান, খুনিদের গ্রেফতার ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে সব তদন্ত সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তদন্তে সর্বোচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন তারা। এজন্য পুলিশ সদর দফতরের একটি বিশেষ তদন্ত দলও গঠন করা হয়। সেটিও ছায়া তদন্ত চালিয়েছে।’
আওয়ামী লীগ নেতা চন্দনকে খুঁজছে পুলিশ: সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বামনডাঙ্গার মনমথ গ্রামের সুশীল সরকারের ছেলে চন্দন সরকারকে পুলিশ খুঁজছে। কাদের খানের জব্দ করা মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তার সঙ্গে এই চন্দন সরকারের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ। পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, সেই মূলত খুনের দিন এমপি লিটনের বাড়িতে তার অবস্থান ও অনুকূল পরিবেশের খবর মোবাইল ফোনে খুনিদের জানায়। তার তথ্যমতে কিলিং মিশন সফল করে খুনিরা।
ব্রেকিংনিউজ