কক্সবাজার: জেলার মহেশখালী উপজেলায় ডাকাত দলের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছররা গুলিতে চার পুলিশ সদস্য এক আনসার সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় অস্ত্র-গুলিসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শাওন দাশ ও এসআই ফখরুল ইসলাম, এএসআই জাহাঙ্গীর আলম, কনস্টেবল মিটুন ভৌমিক। এছাড়া আরো এক আনসার সদস্য বিষু শর্মা আহত হন। পুলিশ ধাওয়া করে জয়নাল আবেদীন ওরফে জনুকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে।
মহেশখালী থানা-পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের ধারাখালের উত্তর পশ্চিমে একদল ডাকাত চালিয়াতলি-মাতারবাড়ী সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খবর পেয়ে স্থানীয় মাতারবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাওন দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ চলে। পরে পিছু হটে ডাকাতেরা। পুলিশ ধাওয়া করে ছয়টি বন্দুক, তিনটি এলজি, ৩০টি গুলিসহ শীর্ষ ডাকাত জয়নাল আবেদীনকে গ্রেফতার করে। বন্দুকযুদ্ধের সময় ডাকাত দলের সদস্যদের ছোড়া ছররা গুলিতে চার পুলিশ সদস্য ও একজন আনসার সদস্য আহত হন। খবর পেয়ে মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই পাঁচজনকে উদ্ধার করে।
ওসি প্রদীপ কুমার জানান, ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধে ৩০টি গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় ডাকাতের ছররা গুলিতে চার পুলিশ সদস্য পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।