ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সার্কেলে যোগদান করলেন ঢাকা এপিবিএন থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডাঃ কানিজ হোসেন জাহান। তিনি ঝিনাইদহ সদর, হরিনাকুন্ডু ও শৈলকুপা (সদর সার্কেলে) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসাবে এ যোগদান করেন। ২৫তম বিসিএসের মাধ্যমে এএসপি হিসাবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ এমবিবিএস,এমপিএস পাশ করেছেন। তিনি এর আগে ঢাকা মেট্রেপলিটন, গাজীপুর সদর সার্কেল, র্যাব-৪ ও ময়মনসিংহ সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসাবে দক্ষতার সাথে মানুষের সেবা প্রদান করেছেন। সে সময়ে অনেক অপরাধি আটক ও নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন।
এ ছাড়াও প্রথম নারী কনটিন জেন্ট হাইতি মিশনে অংশ নিয়েছেন। ডাঃ কানিজ হোসেন জাহান পদোন্নতী পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসাবে এপিবিএনে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি ঝিনাইদহে প্রথম নারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসাবে মঙ্গলবার যোগদান করেন।তিনি সাংবাদিকদের জানান, এ জেলায় যোগান করার পর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন ও মানুষের সেবা প্রদানের জন্য কাজ করে যাবেন। কোথাও কোন ধরনের অবৈধ কাজ, অস্ত্র, মাদক ব্যবসাসহ সকল অপরাধ রুখতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা
করেছেন।
নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন
ঝিনাইদহে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন করেছে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ। বুধবার সকালে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইন্সে দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। শুরুতে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য দেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু।বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মকবুল হোসেন, ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম রায়হান, ঝিনাইদহের সহকারী পুলিশ সুপার (ইন-সার্ভিস ট্রেনিং) ফারজিনা নাসরিন, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মীর নাসির উদ্দিন এবং বাস মালিক সমিতির সভাপতি রোকনুজ্জামান রানু।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ডা. কানিজ হোসেন জাহানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে নিহত এসআই বিকাশ ঘোষের ভাই, পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা বেগম ও সদর থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভার শুরুতে কর্মরত অবস্থায় নিহত নায়েক নজরুল ইসলাম, কনস্টেবল মেহেদি হাসান, কৃষ্ণকুমার ঘোষ, এসআই মুন্সী মশিউর রহমান এবং এসআই বিকাশকুমার ঘোষের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে পৌরসভার মেয়র নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবার প্রতি দশ হাজার টাকা করে অনুদান দেন। এছাড়া পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।