• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত

সাতমাস পর বাড়ি ফিরলেন হুম্মাম

সিসি ডেস্ক: গত শনিবার মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র ৫দিনের মাথায় সাত মাস ধরে নিখোঁজ থাকা হুম্মাম কাদের ফিরে এলেন। বুধবার দিবাগত রাত ৩টায় তাদের ধানমন্ডির বাসার কাছে রেখে গেছে ‘অজ্ঞাত বাহিনী’।

কিন্তু ফিরে আসা হুম্মামের সাথে আগের হুম্মামের কোনোই মিল নেই! আগের সুঠাম দেহি এই যুবক এখন অনেকটা জীর্ণশীর্ণ হয়ে ফিরে এসেছেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, খুবই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে তার বিগত মাসগুলো।

আল জাজিরার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং মীর কাশেম আলীর ছেলে মীর আহমেদ বিন কাশেমের গুমের পেছনে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই এর কাছে রয়েছেন। এই অভিযোগ করেছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান।

ব্রিটিশ আইনজীবী ক্যাডম্যান বলেন তিনি মনে করছেন এই তিনজনকে অপহরণ ও গুমের পেছনে ডিজিএফআইয়ের হাত রয়েছে এবং তারা বর্তমানে এই সংস্থাটির হাতেই বন্দী আছেন।

তিনি আরো বলেন, এই তিনটি গুমের ঘটনা একটির সাথে আরেকটির খুবই মিল রয়েছে। এবং সরকার তাদের বিষয়ে কিছু বলতেও চায় না।

আজ সকাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমের কল্যাণে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বেশ কিছু ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বশেষ ছবিতে ( উপরে যুক্ত ) দেখা যায় হুম্মাম বেশ শুকিয়ে গেছেন।

৪ আগস্ট তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, একটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে যাওয়ার পর তাকে ডিবি পরিচয় দিয়ে কয়েকজন লোক তাকে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ