এমপি লিটন হত্যার মুল পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও কিলারদের প্রশিক্ষক সাবেক এমপি কর্ণেল (অব:) ডাক্তার আব্দুল কাদের খানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) শাজছুজ্জোহা ররিবার গ্রেফতার হওয়ার পর তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ ট্রাংকটি উদ্ধার করে।
সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান জানান- জোহার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দীতে কিলারদের অস্ত্র রাখার ভান্ডার হিসেবে কিশামত হলদিয়া গ্রামের তল্লাশি চালিয়ে তার বাসার ভিতর মাটির নিচ থেকে ট্রাংকটি উদ্ধার করা হয়। এমপি লিটন হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তুল ও গুলি দীর্ঘদিন থেকে ট্রাংকটিতে মজুদ রাখা হত এবং সেখান থেকে গোপনে বের করে নিয়ে কিলারা বিভিন্ন সময় অপরাধ মুলক কর্মকান্ড করে আসছিল বলেও জানান তিনি। এছাড়া এমপি লিটন হত্যায় ব্যবহৃত ৩টি পিস্তুলের মধ্যে ২টি উদ্ধার করা হয়েছে। অপরটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি আতিয়ার রহমান বলেন, জোহার স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দীতে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে যা তদন্তের স্বার্থে বলা যাবে না।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হায়দার মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, এমপি লিটন হত্যার পর ২টি মামলা দায়ের হয় এর একটি হত্যা মামলা অপরটি অস্ত্র মামলা। মামলা ২টির দ্রুত চাজর্সীট দেয়ার জন্য প্রস্তুতি চলছে। তবে হত্যা মিশনের সাথে সম্পৃক্ততা থাকতে পারে এমন কয়েক ব্যক্তিকে নজর দারিতে রাখা হয়েছে। এদিকে এমপি লিটন হত্যা সাথে সম্পৃক্ত সোর্স চন্দন কুমার ভারতে পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যে অবস্থান করছে বলে থানা অফিসার ইনচার্জ নিশ্চিত করে জানান। তাকে গ্রেফতার পূর্বক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিরে আনার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের উত্তর সাহাবাজ মাস্টার পাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে দৃর্বুত্তদের গুলিতে নিহত হন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন।