আসামিরা হলেন— গাইবান্ধা সদরের আব্দুল জব্বার মণ্ডল, তার ছেলে জাছিজার রহমান ওরফে খোকা, আব্দুল ওয়াহেদ মণ্ডল, মোন্তাজ আলী ব্যাপারী ওরফে মমতাজ ও রনজু মিয়া। এদের মধ্যে রনজু মিয়া ছাড়া বাকি চার আসামি পলাতক।
আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতন ও দেশত্যাগে বাধ্যকরণসহ চার ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ছয়জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। ২৩ ডিসেম্বর এক আসামি আজগর হোসেন খান মারা যাওয়ায় বৃহস্পতিবার পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে এ মামলার তদন্ত শুরু হয়ে গত ডিসেম্বরে শেষ হয়। মামলায় ৪০ জন সাক্ষী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
২০১৫ সালের ২৫ মে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়। পরদিন গাইবান্ধার পুলিশ রনজু মিয়াকে গ্রেফতার করে। ২৯ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।