• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন |

রেইন ট্রি হোটেলের বিরুদ্ধে তিন মামলার প্রস্তুতি

ঢাকা: ডার্টি মানির সন্ধানে আপন জুয়েলার্স ও রেইন ট্রি হোটেলে অভিযান চালিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। অভিযানে আপন জুয়েলার্সের একটি শো-রুম সিলগালা করে দেয়া হয়। অন্যদিকে রেইনট্রি হোটেল থেকে অবৈধ মদ উদ্ধারের ঘটনায় দেয়া হয়েছে তিনটি মামলা।

রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আপন জুয়েলার্সের গুলশান, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কয়ারের ৫টি শো-রুমে অভিযান চালায় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। এসময় গুলশানে তাদের একটি শোরুম সিলগালা করে দেয়া হয়।

এদিকে বনানীর রেইন ট্রি হোটেলেও অভিযান চালায় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের আরেকটি দল। সেখান থেকে ৩টি কার্টনে ১০টি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। যদিও গত শনিবার একই হোটেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর অভিযান চালিয়ে কিছু পায়নি বলে জানিয়েছিলেন অধিদফতরের ঢাকা মেট্রো উপ অঞ্চলের উপ পরিচালক মুকুল জ্যেতি চাকমা।

রোববার শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ হোটেলটির প্রতিটি কক্ষে তল্লাশি চালায়। শুল্ক বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক সিফাত মরিয়ম ও শুল্ক গোয়েন্দার যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ শফিউর রহমান অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

শুল্ক গোয়েন্দার যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ শফিউর রহমান জানান, হোটেলটি থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন কাগজপত্র থেকে জানা গেছে হোটেলটিতে দীর্ঘদিন থেকে বিয়ার বিক্রি হচ্ছে। যদিও এদের বারের অনুমতি নেই। এখানে পণ্যের মূল্য তালিকাও নেই। এক হিসেবে দেখা যায় শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই হোটেলটি প্রায় ৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

এসব বিভিন্ন অপরাধে রেইন ট্রি হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকির তিনটি মামলা করা হবে।

গত ২৮ মার্চ বনানীর দি রেইন ট্রি ঢাকা হোটেলে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিতে গিয়েই বন্ধুদের যোগসাজশে ধর্ষণের শিকার হন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই ছাত্রী। ৪ মে ভুক্তভোগী দুই তরুণী বনানী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। বিষয়টি তদন্তপূর্বক মামলা নেয়া হয় ৬ মে।

ভুক্তভোগী তরুণীদের একজন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে সাদমান সাকিফ, তার বন্ধু সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের ড্রাইভার বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

এদের মধ্যে সাদমান রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. হোসাইন জনির ছেলে; সাফাত আহমেদ আপন জুয়েলার্সের মালিকদের একজন দিলদার আহমেদের ছেলে এবং ধনীর দুলাল নাঈম আশরাফ। তবে নাঈমের বাবার নাম নিশ্চিত হতে না পারলেও তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে বলে নিশ্চিত হয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ