• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রমজানে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে ল’ফতো

সিসি ডেস্ক : মুহূর্ত ধারণের কারিগর তারা দুজন একদমই দুই ভুবনের বাসিন্দা। একজন নাজমুল সনজি, পুরোদস্তুর ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট সুদূর লন্ডনের। অন্যজন আকাশ, সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে, ৩য় বর্ষের ছাত্র। দুজনে মিলে গড়েছেন স্বপ্নের আয়োজন ল’ফতো। আসছে রমজানে তারা পাশে দাঁড়াতে চান সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের।

সনজির ছেলেবেলায় ছিল গিটারে গান তোলার বাতিক। লন্ডনে গিয়ে সেই বাতিক টার্ন করল ফটোগ্রাফিতে।

তিনি জানান, লন্ডনের আইডিয়া স্টোর ইনস্টিটিউটে ফটো জার্নালিজম কোর্স শেষে দেশে ফিরেই ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফিই ধ্যান-জ্ঞান। মুহূর্ত ধারণের নেশায় অর্জনের থলিতে জমতে লাগলো দুর্লভ সব পশুপাখির ছবি। আর সেই ছবি তোলার পথেই পরিচয় আকাশের সঙ্গে। আর সেখানেই একসঙ্গে পথ চলতে চলতেই জন্ম নিল ল’ফতো।

তিনি বলেন, তার ছবির ফ্রেমের ডানে-বায়ে যেমন রংচঙা মানুষের আনন্দ উঠে আসত, তেমনি কাজের ফাঁকে উঠে আসত পাশে থাকা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ছবিও। যারা বিয়ের আয়োজনকে রাঙিয়ে দিতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনশেষে বাড়ি ফেরেন নিজের ক্লান্তি আর দৈন্যতাকে সঙ্গে নিয়ে। ওদের ছবিগুলো কখনো দেওয়া হতো না ক্লায়েন্ট জমা হতো নিজেদের হার্ড ড্রাইভেই। জমে থাকা সেই ছবিগুলো একটা চাপ দুঃখও জমাতে থাকল সনজি-আকাশের মনে।

সেই না বলা কষ্ট লাঘবেই তাদের ল’ফতো সিদ্ধান্ত পাশে দাঁড়াবে এই সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে। আসছে রমজানেই তারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থের শতকরা ১০ ভাগ, সেসব শিশুর হাতে তুলে দিতে চান ঈদ আনন্দ আয়োজনের আগেই।

সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন এই দুই ফটোগ্রাফার। ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু করার পরিকল্পনা আছে বলেও জানালেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ