• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন |

নীলফামারীতে শিক্ষকের বাড়িতে আগুনের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় শিক্ষকের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষক প্রতিনিধিরা। মামলা দায়েরের ২০দিন হতে চললেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি আজো।
অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন উপজেলার শিক্ষকরা।
মামলা সুত্র জানায়, গত ৩১মে গভীর রাতে ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জ গ্রামে কালিগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিউল ইসলামের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। পরিকল্পিত ভাবে ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে অভিযোগ করে ছয়জনের নামে ডিমলা থানায় মামলা করেন শিক্ষক সফিউল।
সফিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে পরাজিত হওয়ায় প্রতিপক্ষরা আমাকে দোষারোপ করে হত্যার চেষ্টা করে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভাগ্যক্রমে সেদিন আমি রংপুরে ছেলের অপারেশনের কারণে বাড়িতে ছিলাম না।
তিনি বলেন, আগুনের ঘটনায় ৪জুন থানায় মামলা হলেও পুলিশ তাদের ধরছে না। উল্টো আসামীরা আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী দিচ্ছেন। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
ডিমলা উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আজিজুল ইসলাম বলেন, একজনের সাথে বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু তার বাড়ি আগুন জ্বালিয়ে দিতে হবে, এটা কখোনো মেনে নেওয়া যায় না। আমরা মানববন্ধন করে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছি। দ্রুত যদি আসামীদের গ্রেফতার করা না হয় তাহলে কঠোর কর্মসুচী ঘোষণা করা হবে।
শিক্ষকের বাড়িতে আগুন দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও কারা আগুন দিয়েছে সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে মন্তব্য করে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পরিদর্শণ করেছেন। আমরাও করেছি।
যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তারা জড়িত কিনা সেটি দেখা হচ্ছে। তদন্তে যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওসি।
আগুনের ঘটনায় মামলা হওয়া ছয়জনের মধ্যে পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাদু মিয়া ছাড়াও রয়েছেন রাশেদ, মকলেছুর রহমান, জাকিরুল ইসলাম, আমজাদুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ