• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন |

সিদ্দিকুরকে চেন্নাইয়ে পাঠাচ্ছে সরকার

সিসি নিউজ : রাজধানীর শাহবাগে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এ ব্যাপারে সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিদ্দিকুরের চোখ ভালো করতে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফাকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিদ্দিকুরের চোখ ভালো করতে যা যা করণীয়, চিকিৎসকরা যেন সেই পদক্ষেপগুলো নেন।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্দিকুরের চিকিৎসার খোঁজ নিতে প্রথম দিন থেকেই ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
এর আগে আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতালে সিদ্দিকুরকে দেখতে যান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় তিনিও সিদ্দিকুরের পরিবারকে আশ্বস্ত করেন যে, উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে সিদ্দিকুরকে বিদেশে পাঠানো হবে।
এদিকে, চোখে আঘাতপ্রাপ্ত অসুস্থ সিদ্দিকুরকে দেখতে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ডিএমিপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিঞা। সিদ্দিকুরকে দেখে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে তিনি  সাংবাদিকদের বলেন, ‘আহত সিদ্দিকুরের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছি। আহত স্থানটি দেখেছি। একটি টিয়ার শেল বা একটি ঢিলের আঘাতে একই সঙ্গে দুই চোখে আঘাত লাগতে পারে না। যদি একটির আঘাত লেগে থাকে, তাহলে নাক বা কপাল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু তাঁর নাক বা কপালে কোনো আঘাত নেই। সিদ্দিকুরও বলেছে, সে একটি আঘাত পেয়েছে। তারপর সংজ্ঞা হারিয়েছে। কীভাবে আঘাত লাগল? এটা একটি বড় প্রশ্ন। অনুসন্ধান করে তদন্ত করে কারণ বের করা হবে। এখানে অন্য কোনো পক্ষ থেকে স্যাবোটাজ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখব।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার শাহবাগে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের ছোড়া কাদানে গ্যাসের শেলে দুই চোখে আঘাত পান সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমান। এর পর থেকেই তিনি জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার এক চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। আরেক চোখে আলো ফেরার ক্ষীণ সম্ভাবনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ