• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন |

বেরোবিতে দুই ছাত্রশিবির কর্মীকে গণধোলাই

রংপুর : রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গোপনে সভা করার প্রস্তুতি নেবার সময় দুই ছাত্র শিবির কর্মীকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ্দ করেছে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধা ৭ টার দিকে।

ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতা কর্মী জানান বেশ কিছু দিন ধরে ইসলামী ছাত্র শিবির বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের দলীয় কর্মকান্ড গোপনে পরিচালনা করে আসছিলো। শুধু তাই নয় তারা ক্যাম্পাসে বড় ধরনের সহিংসতা সৃষ্টির পায়তারা করছিলো।

এ ধরনের একটি গোপন খবরের ভিত্তিতে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা গতকাল শুক্রবার সন্ধার আগে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিবির নেতা কর্মীরা তাদের পুর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত মসজিদের পেছনে সমবেত হবার চেষ্টা করে।

সেখানে গিয়ে দুই শিবির নেতা কর্মীকে আটক করে গনধোলাই দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে এসে পুলিশে সোপর্দ্দ করে। এরা হলেন দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী উজ্জল ও একই বিভাগের তৌহিদুল ইসলাম।

এ ব্যাাপারে বিশ্ববিসদ্যালয় শাখা ছাত্র লীগের সাধারন সম্পাদক নোবেল শেখ জানান, ছাত্রশিবির ক্যম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা করছে এমনি গোপন খবরের উপর ভিত্তি করে ছাত্র লীগের নেতা কর্মীরা তাদের আটক করে পুলিশে দিয়েছে। তিনি জানান,  যে কোন মুল্যে ছাত্র শিবিরকে ক্যাম্পাসে নাশকতা সৃষ্টি সহ কার্যক্রম চালাতে দেয়া হবেনা।

অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর শফিক আশরাফ জানান, তিনি ঘটনাটি জানতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়িতে এসেছেন পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবার নির্দ্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, পুরো বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই সাথে তাদের বাড়িতে এবং এলাকায় তাদের সম্পর্কে খোজ খবরও নেয়া হবে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মহিবুল ইসলাম জানান আটককৃত দুই শিক্ষার্থী উজ্জলের বাবার নাম সফিকুল মিসয়া রহমান বাড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা গ্রামে অন্যদিকে তৌহিদুলের বাড়ি একই উপজেলার কঞ্চিবাড়ি গ্রামে তার বাবার নাম লুৎফর রহমান।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে উজ্জল স্বীকার করেছে, সে ছাত্র শিবির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাথী সদস্য। অপরজন তৌহিদুলের দাবি সে শিবির করেনা তবে তার সহপাঠির সাথে বেড়াতে এসেছিলো।

এদিকে রাত ১১টায় ২য় দফায় এস আই মহিবুল জানান, তৌহিদুলের মেসে গিয়ে তার রুমে শিবিরের বিভিন্ন বইপত্র পাওয়া গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ