• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন |

দিনাজপুরে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধি: চলমান ভোটার হালনাগাদ কাজে দিনাজপুর নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ করা হয়েছে। রবিবার (৬ আগষ্ট) সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন দিনাজপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একেএম মাসুদুল ইসলাম। তিনি লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের তত্বাবধানে সারাদেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার ৫নং ওর্য়াডেও ভোটার হালনাগাদের কাজ চলছে। আমি মনে করি এটি সরকারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দায়িত্বশীল কাজ। কিন্তু সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর দিনাজপুর নির্বাচন অফিস দায়িত্ব পালনে অনেক গাফিলতি, অবহেলা ও দায়সারা কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।তিনি অভিযোগ করে জানান, জানুয়ারী ২০০০ সালে যে ব্যক্তির জন্ম সে হাল নাগাদ ভোটার হতে পারবে এমন অনেক ছেলে ও মেয়ে ৫নং ওয়ার্ডের নতুন ভোটার হবার আশায় অপেক্ষা করছে। অথচ তারা নির্বাচন কমিশন নিয়োজিত কোন লোকের দেখাই পাচ্ছেনা। গত ২৫ জুলাই থেকে ৯ আগষ্ট এই ১৫ দিনের মধ্যে ইতিমধ্যে ১১ দিন আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে, আর রয়েছে মাত্র ৪দিন। প্রতি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ করার কথা থাকলেও নির্বাচন কমিশন যাদের দায়িত্ব দিয়ে মাঠে কাজে পাঠিয়েছেন তারা সকল বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন না। যে সব ভোটার মৃত্যুবরন করেছেন ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়ার ব্যাপারে সরকার গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ আগামীতে সরকার যে, স্মার্ট কার্ড দেয়ার পদক্ষেপ নিয়েছেন তার প্রতিটি কার্ডের সম্ভাব্য খরচ প্রায় ৩০-৩২ হাজার টাকা, ভুলবশত মৃত ব্যক্তির নামে স্মার্টকার্ড ইস্যূ হলে সরকারের অনেক টাকা অপচয় হবে।তিনি বলেন, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনপ্রকার প্রচার প্রচারনা বা মাইকিং করা হয়নি, এমনকি কোন ভোটার হালনাগাদ সংক্রান্ত বিষয়ে পোষ্টারও লাগানো হয়নি। আমার ভোটারেরা এ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিনিয়ত আমার কাছে মোবাইলে এবং স্বাক্ষাতে জানতে চাইলে আমি তাদের কোনরুপ তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করতে পারছিনা। এলাকার যে কোন কর্মকান্ডে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে সম্পৃক্ত থাকার বিধান থাকলেও দিনাজপুর নির্বাচন অফিস এ ব্যাপারে চরম উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে দায়িত্ব অবহেলা করেছেন। বর্তমানে দিনাজপুর নির্বাচন অফিস যেভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছেন তাতে আমিসহ আমার এলাকার ভোটারেরা হতাশ। তিনি হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, এভাবেই যদি কার্যক্রম চলে তবে আগামী ৯ আগষ্ট পর্যন্ত অর্ধেকেরও বেশী  ভোটার হওয়ার উপযুক্ত মানুষ বা ব্যক্তি ভোটার হওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। সরকার ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসন বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং নতুন ভোটাররা তাদের ভোটের নাগরিক অধিকার লাভ করার সুযোগ দেয়ার দাবী জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বজলার রহমান,মিজানুর রহমান, মোঃ জাকিউল ইসলাম ও  রিশাদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেনন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ