• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

থামছে না চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে বালু উত্তোলন

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রাম ।।
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছেই। অসাধু বালু ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই অবৈধ খেলায় মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নদীর যত্রতত্র ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করায় উপজেলা সদর, ওবদা বাধ, রমনা রেল ষ্টেশনসহ স্কুল, কলেজ ভাঙ্গনের মুখে। ইতি মধ্যে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের বিভিন্ন দেখা দিয়েছে ধ্বস। নতুন করে অন্যন্যা এলাকা ধসে যেতে পারে বলেও জানালেন এলাকাবাসী।
সারা বছরেই ব্রহ্মপুত্র নদে থাকছে ভাঙ্গনের তান্ডব। দিনের পর দিন জনবসতি, বাড়িঘর, ফসলি জমিজমা নদীগর্ভে যাচ্ছে। প্রভাবশালীদের ভয়ে কথা বলতে পারছেন না এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, এ অবৈধ কাজে জড়িত রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ও কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি। নদীর কাজের কথা বলে প্রতিদিন প্রাক, ট্রাক্টর ও ট্রলির মাধ্যমে বালু বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ফলে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব মানুষজন হারাচ্ছে বাড়িঘরসহ জমাজমি।
ক্ষতিগ্রস্ত রমনা ঘাট এলাকার জোনাব আলী, আঃ রহিম, রহিমাসহ অনেকে বলেন, ওমরা ড্রেজার দিয়া টাকা কামায়, আর হামার দসা সাড়া। হামার বাড়িঘর, জায়গা-জমি নদীতে যাচ্ছে। এর পরেও ওদের কিছু কইলে ভয় দেখায়। আর আপনাদের বলে লাভ কি? ওমরা (বালু উত্তলনকারীরা) বলে হামরা প্রশাসনের লোকজন কাজেই হামার ভয় নাই আর তোমরা হাজার কইলেও কিছুই হবার নয়।
নয়ারহাট এলাকার মাহফুজার, রহিম্মুদিন জানান, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা না হলে তারা তাদের ভেঙ্গে যাওয়া জমিগুলি ফিরে পেত এবং তাদের আবাসন কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হত। তারা আরও জানান, নিরুপায় হয়ে প্রশাসনের নিকট আবেদন করেও কোন ফল পাচ্ছেনা এলাকাবাসী।
চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কৃঞ্চ কুমার সরকার বলেন- অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জা মুরাদ হাসান বেগ এর সাথে কথা তিনি বলেন বিষয়টি নিয়ে সকলের সাথে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ