• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন |

নাগেশ্বরীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল ওয়ালিদ মাসুম এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ৯জন সদস্য সুনিদিষ্ট ১০টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগকারী সদস্যরা হলেন, মোঃ আমির আলী, জাকির হোসেন, জহির উদ্দিন, মোছাঃ বিউটি বেগম, মোঃ বকুল মিয়া, রুহুল আমিন, বাহেজ আলী, জরিনা বেগম ও মোতালেব হোসেন। ইউপি সদস্যরা গত ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ২০১৭অর্থ বছরে কাবিটা কর্মসুচির অধিন রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মাটি ভরাট করন প্রকল্পের ২লক্ষ টাকা ও সাপখাওয়া গ্রামের ময়নুলের বাড়ী হতে আনোয়ারের বাড়ী পর্যন্ত রাস্ত পুর্ণনির্মাণ বরাদ্ধ ১লক্ষ ৬৭ হাজার টাকার প্রকল্প দু‘টির কাজ কর্মসৃজন কর্মসুচির শ্রমিক দিয়ে কাজ করে পুরো টাকা আত্মসাত করেছে।
এছাড়া রেজিষ্টারী অফিসের ১%টাকার কোন কাজ না করে গোপনে আতœসাৎ করেছে। আরডিআরএস ও ইউপি যৌথভাবে গাছ লাগানোর ৪০%টাকা একাই আত্মসাত করেছে। ইউপি‘র শৌচাগারের ইট গোপনে বিক্রী করে আতœসাৎ করেছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য বরাদ্ধকৃত জি,আর এর চাউল ও টাকা মেম্বারদের না জানাইয়া সরকারী খাদ্য গুদামেই বিক্রী করে আতœসাৎ করেছে। এছাড়া চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল ওয়ালিদ মাসুম নির্বাচিত সদস্যদের রেজুলেশন ছাড়া তার মনগড়া একাই সিন্ধান্ত নিয়ে যা মন চায় তাই করেন। গত ইদুল ফিতরে ভিজিএফ কর্মসুচির অধিন ৫৮টন গমের মধ্যে ২৫টন বিতরন করে বাকী ৩১টন গম কালো বাজারে বিক্রী করে আত্মসাত করেন।
এছাড়া কমলাকুঠির আবাসন প্রকল্পের জন্য বরাদ্ধকৃত ৯লক্ষ টাকার ১০% কাজ করে ৯০ভাগ আতœসাৎ করেছে। অপরদিকে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির তালিকায় ভুয়া নাম দিয়ে ১০টাকা কেজি দরের সেই চাউল নিজের লোক দিয়ে উত্তোলন করে আতœসাৎ করেছে। অভিযোগকারী সদস্য আমির আলী, জাকির হোসেন ও জহির উদ্দিন জানান, ‘মাসুম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউপি কার্যালয়টি তার দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছেন। যে সব অভিযোগ করেছি তা সরেজমিন তদন্ত হলে তার শতভাগ প্রমান আমরা করতে পারবো’।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল ওয়ালিদ মাসুম বলেন, ৯জন মেম্বার আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছে তা সত্য নয়। বরং তারাই পিআইওর সঙ্গে যোগসাজস করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করেছে। এখন আমার নামে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচারসহ অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে তাদের কোন লাভ নাই সরকার ও জনগন আমার পক্ষে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ