জয়পুরহাট প্রতিনিধি, ২৫ নভেম্বর: তিন ফসলি জমির ধরণ পরিবর্তন না করে এবং প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার গঙ্গাদাসপুর এলাকায় আব্দুল মান্নান নামে এক প্রভাবশালী ব্যাক্তি ছয় বিঘা জমিতে হিমাগার নির্মানের কাজ অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা কৃষক ও সচেতন মহল করলেও হিমাগার নির্মানকারী আব্দুল মান্নানের দাবি, প্রশাসনকে জেনে নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে, আর প্রশাসন পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
নির্মানাধীন ওই হিমাগারের পার্শ্ববর্তী পূর্ব-কিষ্টপুর গ্রামের শফিকুল, রবিউল ও আশরাফ, ধারিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর, বাশলাপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকসহ এলাকাবাসী জানান, তিন ফসলি এসব জমিতে ধান, আলু, সরিষা, গম ও পাটসহ অন্যান্য ফসল চাষ করা হতো।
কিন্তু প্রতি শতক জমি ৩০ হাজার টাকা দরে ছয় বিঘা জমি ক্রয় করেই আব্দুল মান্নান হিমাগার নির্মানের কাজ শুরু করেছেন।
তারা আরো জানান, নির্মানাধীন হিমাগারের আশপাশের আরো জমি ক্রয় করে এলাকার সব চেয়ে বড় হিমাগারসহ মৎস্য খামার ও বাগান করার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আফাজ উদ্দিন বলেন, ফসলি জমিতে হিমাগার নির্মাণের বিষয়টি আমার অজানা। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মোকাম্মেল হকও অনুরূপ মন্তব্য করে আরো বলেন, বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।