সিসি নিউজ, ২৩ জানুয়ারী: শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, লেকহেড স্কুলের মালিকসহ গ্রেপ্তার তিন জনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে মূখ্য মহানগর হাকিমের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রীর পিও, লেকহেড স্কুলের মালিকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এদিকে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষমন্ত্রণালয়ের দুই কর্মচারিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জঙ্গি তৎপরতায় অভিযুক্ত লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দিতে পরিচালক খালেদ হাসান মতিনের সঙ্গে সাড়ে ৪ লাখ টাকার চুক্তি হয়। শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী নাসির উদ্দিনের।
টাকা পরিশোধের সময় তাদেরকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘুষ লেনদেনের কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার তিন জন।
লেকহেড গ্রামার স্কুলের পরিচালক খালেদ হাসান মতিনের বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃক্ততা ও জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে আগে থেকেই। তদন্তে প্রমাণ হলে মতিনের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা হবে বলেও জানায় পুলিশ।
তবে সরকারি কর্মচারীদের ঘুষ লেনদেনের মামলা দুর্নীতি দমন কমিশনের তালিকায় থাকায় এর তদন্ত করবে দুদক। দুর্নীতির অভিযোগে এরইমধ্যে দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।
নিখোঁজের পর শিক্ষামন্ত্রী পিও মোতালেব হোসেন, মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী নাসিরউদ্দিন এবং লেকহেড গ্রামার স্কুলের পরিচালক খালেদ হাসান মতিনকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার দেখায় ডিবি। সোমবার তাদের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করা হয়।