• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পার্বতীপুরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে বাদী-স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে মামলা

বিশেষ প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বরখাস্তকৃত পুলিশের এক এসআই একের পর এক অঘটন ঘটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে মামলার করায় সেই মামলার বাদী-স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে হেনস্তা করছে।
জানা যায়, উপজেলার পলাশবাড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধোবাকল বালাপাড়ার মোফাজ্জল হোসেন সরকারের পুত্র রাসেল মাহমুদ সরকার (৩৫)। কয়েক বছর আগে ঢাকার কাফরুল থানায় চাকুরীরত রাসেল মাহমুদকে অনৈতিক কার্জকলাপের কারণে বরখাস্ত করা হয়। এলাকায় এসে নিজ বাহিনী গঠন করে একের পর এক এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করে। একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র নাজমুল হুদা ১৯৯৭ সালে ধোবাকল মৌজার ১৪৯ দাগের ১৫ শতক জমি দলিলমূলে ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছে। গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে রাসেল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার লোকজন নিয়ে উক্ত জমি জবরদখলের চেষ্টাকালে নাজমুলের পিতামাতা সহ পরিবারের লোকেরা বাধা দিলে তাদের মারপিট করে আহত করে। এ ব্যাপারে ৩১ ডিসেম্বর নাজমুলের ভাই মাহফুজার রহমান বাদী হয়ে বরখাস্তকৃত পুলিশের এসআই রাসেল সহ ২২ জনের নামে থানায় মামলা করলে রাসেল মাহমুদ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এর কিছুদিন পর গত ১৪ জানুয়ারী রাসেলের স্ত্রী মাহমুদা ওরফে তমা কে মারপিট করে চার মাসের গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ এনে তমা ২৫ জানুয়ারী বিজ্ঞ আদালতে মামলা (নং ২২/১৮) করে। একই ঘটনার জের ধরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে গত ৩০ জানুয়ারী বিজ্ঞ আদালতে মামলা (নং ২৫/১৮) করে।
ঘটনায় আরো জানা যায়, উক্ত সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের দ্বন্দ শুরু হলে কয়েকবার থানা পুলিশের বৈঠক বসে। কিন্তু রাসেল মাহমুদের একক জেদের কারনে থানায় কোন মিমাংসা না হওয়ায় জবরদখলের চেষ্টা চালায়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, রাসেলের বিরুদ্ধে মামলা করায় সে হেনস্তা করার লক্ষ্যে ঐ মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের আসামী করে। এছাড়াও রাসেলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে এলাকায় মেয়ে ঘটিত ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক তাকে উত্তম মাধ্যম দিয়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে। এলাকার জনৈক ব্যক্তির স্ত্রীকে পরকিয়ার জালে ফেলে বাধ্য করে তালাক নিয়ে সে বিয়ে করে। এলাকায় দেহ ব্যবসা করারও অভিযোগ আছে।
এছাড়াও ক্লাব নামধারী খোলাহাটি ষ্টেশন এলাকার এক ঘরের ভেতরে বিভিন্ন নেশাসহ জুয়া চলে এবং এলাকার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মিটিং হয়। এলাকার উঠতি বখাটে, মাদকাসক্ত, জুয়ারী ও ছিচকে চোরদের নিয়ে নিজ বাহিনী তৈরী করে এবং এমন কোন অপকর্ম নেই যে সেই রেলের ঘর থেকে পরিচালিত হয় না। ইতোপূর্বে সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রশাসন মারফত সে জেল হাজতে যায়। পরে টাকা ফেরত দিয়ে আপোষরফা করে রেহাই পায়। কিন্তু তবু সে ক্ষান্ত হয়নি। এসব অন্যায় কার্যক্রমের মুলহোতাসহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচারের দাবী জানান ভূক্তভূগী এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ