• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন |

শিশু সুমাইয়াকে বাঁচাতে বাবার সাহায্যের আবেদন

সিসি নিউজ: সতের মাস বয়সী ফুঁটফুটে শিশু কন্যা সুমাইয়া আক্তার বিপাশা হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে দিনাজপুর জিয়া হার্ডফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর আগে ঢাকায় চিকিৎসা নিলেও অর্থের অভাবে সুমাইয়াকে ফিরে এনে দিনাজপুরে চিকিৎসা করানো হচ্ছে।
নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের মহব্বত বাজিত পাড়া গ্রামের শরিফুল রহমানের (বিপ্লব) কন্যা সুমাইয়া আক্তার।
হতদরিদ্র পিতা সন্তানের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে আর্থিক সাহায্যের জন্য ঘুরছেন। এক পর্যায়ে এসে সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে দেশবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।
শরিফুল রহমান একজন কৃষক ও দিন মজুর। অন্যের বাড়ীতে মজুরী করে সংসার চালায়। সুমাইয়া আক্তারের চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। তার চিকিৎসার জন্য এখন আরো তিন লাখ টাকা প্রয়োজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। দরিদ্র পিতার পক্ষে এত টাকা জোগার করা অসম্ভব।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু নিরোলজিষ্ট ও শিশু বিষেজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহীন আকতার বলেন, এই রোগের চিকিসা অনেকটাই ব্যয় বহুল। তিনি বলেন, পরিপূর্ণ চিকিৎসা নিতে গেলে আরও ৩ লাখ টাকার দরকার।
সুমাইয়ার পিতা শরিফুল রহমান বলেন, ঢাকায় থেকে চিকিৎসা করতে না পারায় (অর্থের অভাবে) এখন দিনাজপুর জিয়া হার্ডফাউন্ডেশনে চিকিসাধীন রয়েছে।
সুমাইয়া আক্তারের পিতা শরিফুল রহমান বলেন, অনেক দিন ধরে সুমাইয়ার চিকিৎসা করা হচ্ছে। মানুষের কাছে টাকা ধার দেনা করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। চিকিৎসকরা বলছেন সুমাইয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে তিন লক্ষ টাকা প্রয়োজন।
তাই আমি এক অসহায় পিতা হিসাবে আমার নিষ্পাপ সন্তানকে বাঁচানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি। তিনি সন্তাকে বাঁচাতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
কচুকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ চৌধুরি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শরিফুল একজন দিন মজুর মানুষ। তার পারিবারিক ভাবে মেয়ের চিকিৎসা করার মত শক্তি সামর্থ নেই। এ জন্য অসহায় শিশু মেয়েটিকে চিকিৎসা বাবদ কেউ সাহায্য করতে চাইলে রকেট হিসাব নাম্বারে পাঠাতে পারেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- শরিফুল রহমান (বিপ্লব) (সুমাইয়ার বাবা)
রকেট এর হিসাব নম্বর- ০১৭২২৭৯১৩৭৬৭। মোবা-০১৭২২-৭৯১৩৭৬

 

সৈয়দপুরে ভূমিদস্যুর ভয়ে রেলওয়ে কর্মচারী বাড়ি ছাড়া

ভূমিদস্যুর নানাবিধ হুমকীতে প্রাণ ভয়ে বাড়ি ছাড়া হয়েছেন নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী মো. খয়বর হোসেন সরকার। এমতাবস্থায় তিনি সহযোগিতা চেয়ে সৈয়দপুর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ে কর্মচারী মো. খয়বর হোসেন সরকারসহ অপর দুইভাইয়ের ৪.৬৮ একর জমির ওপর কু-দৃষ্টি পড়ে একই এলাকার মো. খয়রাত হোসেনের। এ নিয়ে ঝগড়া বিবাদ হলে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড. ওবায়দুর রহমান এক শালিসের মাধ্যমে এর মিমাংসা করেন। কিন্তু ভূমিদস্যু খয়রাত হোসেন কিছুদিন চুপ থাকার পর আবারো ওই জমি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে ক্ষিপ্ত হয়ে খয়রাত হোসেন প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দেন খয়বর হোসেন সরকারকে। ফলে প্রাণ ভয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি এখন বাড়ি ছেড়ে সৈয়দপুর শহরে এসে বসবাস করছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ