সিসি নিউজ, ২২ ফেব্রুয়ারী: উত্তরের জেলা নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, লালমনিরহাট, জয়পুরহাট ও বগুড়ার ৩৫টি উপজেলার সাড়ে ৫ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যে নির্মিত হয় তিস্তা ব্যারেজ। ১৯৮৯ সালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ব্যারেজটি। এ প্রকল্পের আওতায় এবারে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
প্রতি বছর জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী মাসে নদীতে ৮শত থেকে ১ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহ থাকলেও এবারে তা বেড়ে দুই হাজার কিউসেক পানি প্রবাহ রয়েছে। তাই বোরো মৌসুমের শুরুতে সেচের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়ায় কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে কৃষকেরা।
তবে বোরোর ভরা মৌসুমে এ পানি প্রবাহ কমে গেলে কৃষকেরা শরনাপন্ন হয় গভীর নলকুপের ওপর। এতে প্রকল্পের আওতাধীন থাকা কৃষকেরা অতিরিক্ত অর্থ ব্যায়ের কারনে বোরো চাষে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তিস্তা সেচ প্রকল্পের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীতে উজান থেকে আসা পানিই মূল উৎস। পানি প্রবাহ বেশি থাকায় প্রকল্পের বগুড়া খালের ১৭ কিলোমিটারে পানি দেয়া হয়েছে এবারে। তবে পানি প্রবাহ অব্যহত থাকার আশা করছেন তিনি।
উল্লেখ্য যে, মূল তিস্তা নদীতে ৪৪টি গেটে কপাট দিয়ে আটকানো হয়েছে পানি প্রবাহ। পাশে ৮টি গেট দিয়ে খননকৃত তিস্তা খালে পানি প্রবাহ অব্যহত রাখা হয়েছে। ওই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে ১৯৯৮ সালে। এখন চলছে ২য় পর্যায়ের কাজ।