• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন |

নীলফামারীতে বছরে উৎপাদন দেড় কোটি চটের বস্তা

সিসি নিউজ, ৬ মার্চ: নীলফামারীসহ সৈয়দপুরে গড়ে উঠা চারটি পাটকলের কাঁচামালের চাহিদা পূরন করেও দেশের অন্যান্য জেলায় চাহিদা পূরন করছে এখানকার উৎপাদিত পাট। তবে পাটের দাম বিভিন্ন সময়ে উঠানামা করায় পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে চাষীরা। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে জেলায় এবারে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা কমে গেছে ১ হাজার হেক্টর জমি।

‘সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাটপণ‌্যের বাংলাদেশ’ এ শ্লোগানে আজ সারাদেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় পাট দিবস। তবে এখনও পাট বপনে দুই সপ্তাহ দেরী। ওই সময়ে বাজারে দেখা মিলে পাট বীজের। দেশি-ডি ১৫৪, সিভিএল-১, তোষা-৭২, তোষা-৯৮৯৭, বেঙ্গল মহারাষ্ট্র জাতের পাট চাষ হয় নীলফামারীতে। কৃষি বিভাগের হিসেব মতে দু’বছর আগে জেলায় পাট চাষ হতো ১১৪২৫ হেক্টর জমিতে। এবারে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১০৪৫০ হেক্টর জমিতে। পাট চাষ কমে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে পাটের দাম উঠানামার জন্য পাট চাষে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে চাষীরা।

নীলফামারী সদরের ইকু জুট মিলস্ এর ব‌্যবস্থাপনা পরিচালক সিদ্দিকুল আলম বলেন, প্লাস্টিড পন্য বাজারজাতের কারনে পাটজাত দ্রব্য নিয়ে উদ্বিগ্ন পাটকল মালিকরা। পাটকলে উৎপাদিত বস্তা, হেসিয়ান চট, সূতালী ও পাটের সূতা বিক্রিতে ধস নেমেছে। ফলে পাটকলগুলোতে কাঁচামালের চাহিদা কমে যাওয়ায় চাষীদের মাঝে এর প্রভাব পড়ছে। এছাড়া স্থানীয় ভাবে গড়ে উঠেছে পাটের তৈরি বিভিন্ন পন্যের প্রতিষ্ঠান।

নীলফামারী খামারবাড়ির উপ-পরিচালক মো: আবুল কাশেম আযাদ বলেন, চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রার জমিতে উৎপাদিত হবে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬ মেট্রিক টন পাট। অপরদিকে জেলায় ৪টি পাটকলের বছরে চাহিদা রয়েছে মাত্র ১৬ হাজার মেট্রিক টন। যা পাটকলগুলোর চাহিদা পূরন করেও দেশের অন্যান্য পাটকল বা পাটজাত শিল্পের চাহিদা পূরনে সম্ভব।

উল্লেখ‌্য যে, নীলফামারীর ৪টি পাটকলে প্রতিবছর ৪ লাখ মন পাটের চাহিদা রয়েছে। এতে উৎপাদিত হয় দেড় কোটি চটের বস্তা সহ পাটের অন‌্যান‌্য পাটের পন‌্য। এসব পাটকলে বর্তমানে কর্মরত রয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কর্মচারী।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ