• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

বদলে গেছে ফয়সাল ও নাজিয়ার লাশ

সিসি ডেস্ক: নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক ফয়সাল আহমেদের লাশ আরেক নিহত নাজিয়া আফরিন চৌধুরির পরিবারের কাছে এবং নাজিয়ার লাশ ফয়সালের পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়েছিল। উভয়ের পরিবার দাবি করেছে, ভুলক্রমে এ ঘটনা ঘটেছিল। ফয়সালের ভাইয়ের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ হাফিজুর রহমান এই আদেশ দেন। আদালত আদেশে বলেছেন, আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে বলা হয়েছে, ফয়সালের লাশ হিসেবে তাঁর পরিবারকে যে লাশ দেওয়া হয় তা ফয়সালের নয়। ওই লাশ একই দুর্ঘটনায় আরেক নিহত নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর লাশ।
পরে ফয়সালের পরিবার নজিয়ার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন, ফয়সালের লাশ দাফন করা হয়েছে বনানী কবরস্থানে। আর নাজিয়ার লাশ দাফন করা হয় শরিয়তপুরের ডামুড্যা গ্রামে। উভয় পরিবারই ওই দুজনের লাশ তুলে পরস্পরের কাছে হস্তান্তর ও যার যার কবরস্থানে নতুন করে কবর দেওয়ার আবেদন করেছেন। আদেশে আরও বলা হয়েছে, ফয়সালের লাশ বনানী কবরস্থান থেকে তুলে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য ঢাকা জেলার নির্বাহী হাকিমকে বলা হলো। আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছেন নিহত ফয়সালের ভাই সাইফুল ইসলাম ও নাজিয়ার ভাই আলী আহাদ চৌধুরী।

আর আদালতে ওই বিবিধ মামলা করেন নিহত ফয়সালের ভাই সাইফুল ইসলাম। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত ফয়সালের লাশটি উত্তোলন করার আদেশ দিলেন। সাইফুলের আইনজীবী ছিলেন আশরাফ-উল-আলম।

গত ১২ মার্চ নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৬ বাংলাদেশি। এর কয়েকদিন পর ২০ মার্চ তাঁদের লাশ নিয়ে আসা হয় বাংলাদেশে। ফয়সালের ভাই তাঁর আবেদনে বলেন, ২০ মার্চ তাঁর ভাইয়ের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর মামা কায়কোবাদ। শরীয়তপুরে গ্রামে নেওয়ার পর জানাজা শেষে যখন কবর দেওয়ার জন্য কফিন থেকে লাশ বের করা হয় তখন দেখেন, এটি তাঁর ভাইয়ের লাশ নয়। লাশটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল। সেখানে লেখা ছিল নাজিয়া আফরিন চৌধুরী। কিন্তু পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির আশঙ্কায় নাজিয়ার লাশ সেদিন সেখানেই দাফন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ