• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন |

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ১০ বিধিনিষেধের প্রস্তাব ইসির

সিসি নিউজ, ০৮ মে: অনুমতি ছাড়া ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ এবং প্রিজাইডিং অফিসার সাক্ষাতকার দিতে পারবেন না। সাংবাদিকদের জন্য এমন বিধিনিষেধ তৈরির চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন। এসব পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন সিনিয়র সাংবাদিকরা। তাদের মতে, এসব নিয়ম হলে গণমাধ্যমের কাজ করা অর্থহীন। আজ মঙ্গলবার সকালে নির্বাচন কমিশনে এক মতবিনিময় সভায় এসব আলোচনা হয়।
১৫ মে খুলনা সিটি নির্বাচন। জুলাইতে আরো তিনটি সিটিতে নির্বাচনের সম্ভাবনা। এর আগেই সাংবাদিকদের জন্য বিধিনিষেধ তৈরি করতে চায় কমিশন। তাই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেছে ইসি।
সভায় জানানো হয়, ভোট কক্ষের ভেতর থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না, ভোট গণনার ছবি তোলা যাবে না, একসাথে একাধিক সাংবাদিক ভোটকক্ষে যেতে পারবেন না, এ ধরনের দশটি নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব করে নির্বাচন কমিশন। এগুলোর বেশিরভাগেরই বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন সাংবাদিকরা।
এটিএন বাংলার প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জ ই মামুন বলেন, নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে, সেই সম্পর্কে গনমাধ্যমকে জানাবে প্রিজাইডিং অফিসার যে হামলাকারীরা এসে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিয়ে গেছে, আমার কিছু করার ছিল না। এটিও তো সাক্ষাৎকার, তো তার যদি সেই সাক্ষাৎকার দেওয়ার অধিকার না থাকে তাহলে গণমাধ্যমের কোন দরকারই নেই।
নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বাংলা ভিশনের বার্তা প্রধান মোস্তফা ফিরোজ বলেন, অনেক সময় বিশৃঙ্খলার সংবাদ পেয়েও আমরা প্রচার করতে পারিনি। সুতরাং আপনারা যদি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে, রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে বলেন যাতে এই সময় মিডিয়াও নির্বাচন কমিশনের আওতায় সবধরনের খবরাখবর প্রচার করতে পারে।
ইনডিপেনডেন্ট নিউজের প্রধান বার্তা সম্পাদক আশিস সৈকত বলেন, কেন্দ্রের ২০% ভোট কাস্ট হয়েছে, আমার কাছে তথ্য নেই, একথা বললে আপনারাই প্রশ্ন করবেন আপনি কিভাবে বললেন, আপনি কোন উৎস থেকে বললেন। কাজেই সেটা প্রিজাইডিং অফিসারকে বলতে হবে। এজেন্ট ভোট কেন্দ্রে একটা বড় বিষয়। প্রার্থীদের এজেন্ট আছে কিনা সেটাও সাংবাদিকদের দেখতে হবে। এটা কিন্তু আল্টিমেটলি নির্বাচন কমিশনের কাজে সহায়তা করে।
এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয় বরং সাংবাদিকদের কাজে শৃংখলা আনতেই একটি দিক নির্দেশনা প্রণয়নের কথা ভাবছে ইসি।
মত বিনিময়ে বিধিনিষেধ না করে আরো স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ চেয়েছেন সাংবাদিকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ