• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন |

নাগরিকত্ব নিয়েই দেশে ফিরতে চায় রোহিঙ্গারা

সিসি ডেস্ক, ২৮ সেপ্টেম্বর: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন বিতর্ক সামনে এনেছে মিয়ানমার সেনাপ্রধান। তিনি বলছেন, ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিতে চায় নেপিদো। তবে নাগরিকত্ব ও জাতিগত স্বীকৃতি না নিয়ে দেশে ফিরতে রাজি নয় বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমার নানা সময় নানা বক্তব্য দিয়ে প্রত্যাবাস জটিল করে তুলছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের প্রস্তুতি দেখতে ২৮শে অক্টোবর ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছে ঢাকা-নেপিদো যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যরা। এতে যোগ দিতে মিয়ানমার থেকে আসছে প্রতিনিধি দল।
প্রত্যাবাসন শুরু করতে দুদেশের সীমান্ত যখন তৈরি হয়েছে অভ্যর্থনা কেন্দ্র, তখনই আবারও নতুন বির্তক সামনে এনেছে মিয়ানমার। গত রোববার নেপিদোয় দেশটির সেনাপ্রধান বলেন, ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী সব কাজ এগিয়ে নেবে নেপিদো। যে আইন নিয়ে রোহিঙ্গাদের আপত্তি তা আবারও সামনে নিয়ে আসাকে ভিন্নভাবে দেখছেন বিশেষজ্ঞেরা।
ফিরিয়ে নেয়ার পর মিয়ানমারের আশ্রয় শিবিরে রাখার উদ্যোগেও তীব্র আপত্তি রোহিঙ্গাদের। সরকারের প্রতি আস্থা নেই বলে তাদের দাবি, এদেশে থাকা অবস্থাই বুঝিয়ে দিতে হবে নাগরিকত্বের কার্ড। তবেই ফিরছেন নিজ দেশে, নিজ ভিটায়।
ঢাকা-নেপিদোর প্রত্যাবাসন চুক্তিতেও নাগরিকত্বের বিরোধ মিমাংসার বিষয়টি আসেনি স্পষ্টভাবে। এতে বলা হয়েছে, ফিরে যাওয়া ও জাতীয় পরিচয় যাচাই দুটি ভিন্ন বিষয়। মিয়ানমারে ফেরানো হবে রাখাইনে তাদের অতীত বসবাসের প্রমাণের ভিত্তিতে। পরে পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে দেয়া হবে নাগরিকত্ব।

ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ