• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন |

কুড়িগ্রামে হানিফ বাসের কাউন্টারে তালা

সিসি ডেস্ক, ১৬ অক্টোবর।। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হানিফকে দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির দাবিতে কুড়িগ্রামে হানিফ বাসের কাউন্টার বন্ধ করে দিল জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

সোমবার সকাল ১১টায় শহরের ঘোষপাড়াস্থ ‘হানিফ কাউন্টারের’ ম্যানেজার নুরু মিয়া ছাত্রদের দাবির মুখে কাউন্টারে তালা লাগিয়ে দেন।

জানা যায়, রবিবার রাত ৯টায় কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর আমিন ও জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় বিশু স্মাক্ষরিত একটি স্মারকলিপিসহ সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে শহরস্থ কাউন্টার পাড়ায় এসে হানিফ গাড়িতে পরিবহণ না করার জন্য যাত্রীদেরকে অনুরোধ করেন।

এ সময় তারা সোমবার সকাল থেকে হানিফ কাউন্টার বন্ধ রাখার জন্য ২৪ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। পরে তারা জেলা মটর মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বকসীর কাছেও স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সোমবার সকালে হানিফ কাউন্টারে গিয়ে খোঁজ করে জানা যায়, হানিফের সকাল ৯টার কোচটি নির্ধারিত সময়ে যাত্রীসহ চলে গেছে। এ ছাড়াও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা থেকে কুড়িগ্রাম হয়ে ঢাকায় চলে যাওয়া ডে-কোচটিও সকাল সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রাম কাউন্টারে অবশিষ্ট যাত্রী নিয়ে চলে যায়। এরপরেই ছাত্রলীগের ছেলেরা কাউন্টার বন্ধ করতে আসে।

এনিয়ে জেলা মটর মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বকসী জানান, রবিবার রাত ১০টায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে ছাত্রলীগের ছেলেরা আমার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। ২৪ ঘন্টা না যেতেই সোমবার সকাল ১১ টায় হানিফ কাউন্টার বন্ধ করে দেয়া হয় বলে কাউন্টারের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়।

কুড়িগ্রাম হানিফ পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার নুরু মিয়া জানান, হানিফ পরিবহণে হাজার হাজার মানুষ চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। মালিক দোষ করলে তার জন্য আইন আছে। আমরা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের পেটে লাথি দিলে আমরা পথে গিয়ে বসবো।

বিষয়টি নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রকিবুজ্জামান রাকিব জানান, হানিফ একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। সে দেশে ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করলে কাউন্টার খুলে দেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ